1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
  3. [email protected] : lalashimul :
সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাংলাদেশ-ভারতের বাণিজ্যে নতুন দ্বার খোলার প্রত্যাশা ই-সিগারেট নিষিদ্ধের দাবিতে ১৫৩ সংসদ সদস্যের যৌথ বিবৃতি শিক্ষার্থীদের আর্থিক অনুদানের সময় ১৫ মার্চ পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ভাড়া না থাকায় বাস থেকে ছুড়ে ফেলা হলো প্রতিবন্ধী নারীকে (ভিডিও) গোবিন্দগঞ্জে সাবেক এমপি সহ জামিন পেলেন ৩৩ আসামী নিবন্ধনধারী শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের নির্দেশ সেন্টমার্টিনে কোস্ট গার্ড এর অভিযানে ইয়াবা ও কাঠের নৌকাসহ ০৫ মাদক পাচারকারী আটক নড়াইলে ৬০ বছরের বৃদ্ধের লালসার শিকার হয়েছে এক স্কুলছাত্রী ; বৃদ্ধ আটক আন্দোলন-বক্তব্য নয় বরং যোগ্যতায় নারীদের অধিকার আদায় করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক মুজাক্কির হত্যা মামলার আসামি রিমান্ডে

অটোচালকের ছেলে এখন বিএমডব্লিউর মালিক

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২৩ বার দেখা হয়েছে

আলোচনায় ভারতীয় ক্রিকেটার মোহাম্মদ সিরাজ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিতে বীরের বেশে দেশে ফিরেছেন এই পেসার। তার অটোচালক বাবা মোহাম্মদ ঘাউসের স্বপ্ন ছিল ছেলে মোহাম্মদ সিরাজ বড় ক্রিকেটার হবে, সেই স্বপ্ন পূরণও হয়েছে।

ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি সিরাজ এবার আলোচনায় এলেন বিএমডব্লিউ গাড়ির মালিক হয়ে। গতকাল শুক্রবার তিনি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দুটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানেই নতুন গাড়ি চড়তে দেখা গেছে সিরাজকে।

অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে বাবার মৃত্যুর সংবাদ শুনেন। তবে মায়ের নির্দেশে অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যান দেশের জন্য। প্রথম টেস্টে ভারতের ৩৬ রানের লজ্জার পর দ্বিতীয় টেস্টেই ভারতের হয়ে অভিষেক হয় সিরাজের। সিরিজে ৩ ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি।

চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে ২-১ ব্যবধানে হারায় ভারত। সিরাজ ঐতিহাসিক এই সিরিজ শেষে দেশে ফিরেই ছুটে যান পরপারে পাড়ি জমানো বাবার কবরের পাশে। বাবার কবর জিয়ারতের সেই মুহূর্ত সমর্থকদের হৃদয় স্পর্শ করেছিল।

উল্লেখ্য, ভারতের হায়দরাবাদের অত্যন্ত দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসেছেন এই পেসার। বাবা মোহাম্মদ ঘাউস ছিলেন অটোচালক। কিন্তু ছেলের ক্রিকেট খেলার স্বপ্নে কোনওদিন বাধা দেননি। ক্রিকেট কোচিংয়ে ভর্তি করার টাকা ছিল না অটোচালক বাবার।

কিন্তু সিরাজ ঠিকই ভর্তি হতে পেরেছিলেন প্রতিভার ঝলক দেখিয়ে। অনুশীলনে যেতে বাবার কাছ থেকে প্রতিদিন হাতখরচ পেতেন ৭০ রুপি। যাতায়াত, খাওয়াদাওয়া—সব এর মধ্যেই। ওদিকে এই টাকায় স্কুটির তেলের খরচ জোটাতেই হাঁসফাঁস উঠে যেত সিরাজের।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি