1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ০৪:১১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
করোনা মহামারিতে ১ লাখ ৮০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীর মৃত্যু : ডব্লিউএউচও হাসপাতাল থেকে প্রাসাদে ফিরলেন রানি করোনার নতুন সংক্রমণ রোধে স্কুল ও ফ্লাইট বন্ধ করল চীন ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে দুই ধাপ উন্নতি বাংলাদেশের বিশ্বে করোনায় আরও ৭ হাজারের বেশি প্রাণহানি ডিএমপির ৭ পুলিশ কর্মকর্তা বদলি জানুয়ারি থেকে ক্লাস বাড়ানো হবে: শিক্ষামন্ত্রী রাষ্ট্রধর্ম পরিবর্তনের কোনো পরিকল্পনা আওয়ামী লীগের নেই : হুইপ স্বপন পাপুয়া নিউগিনিকে উড়িয়ে সুপার টুয়েলভ নিশ্চিত বাংলাদেশের শ্রাবন্তীর ভিডিওতে নিন্দার ঝড়! বিশ্বকাপের রেকর্ড গড়লেন সাকিব ২২ হাজার ছাড়াল ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্বে সজাগ থাকতে হবে : পরিকল্পনামন্ত্রী সরকারও চায় একটি শক্তিশালী বিরোধী দল থাকুক: ওবায়দুল কুমিল্লার ঘটনায় দায়ীকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অটোচালকের ছেলে এখন বিএমডব্লিউর মালিক

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১১৬ বার দেখা হয়েছে

আলোচনায় ভারতীয় ক্রিকেটার মোহাম্মদ সিরাজ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিতে বীরের বেশে দেশে ফিরেছেন এই পেসার। তার অটোচালক বাবা মোহাম্মদ ঘাউসের স্বপ্ন ছিল ছেলে মোহাম্মদ সিরাজ বড় ক্রিকেটার হবে, সেই স্বপ্ন পূরণও হয়েছে।

ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি সিরাজ এবার আলোচনায় এলেন বিএমডব্লিউ গাড়ির মালিক হয়ে। গতকাল শুক্রবার তিনি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দুটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানেই নতুন গাড়ি চড়তে দেখা গেছে সিরাজকে।

অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে বাবার মৃত্যুর সংবাদ শুনেন। তবে মায়ের নির্দেশে অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যান দেশের জন্য। প্রথম টেস্টে ভারতের ৩৬ রানের লজ্জার পর দ্বিতীয় টেস্টেই ভারতের হয়ে অভিষেক হয় সিরাজের। সিরিজে ৩ ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি।

চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে ২-১ ব্যবধানে হারায় ভারত। সিরাজ ঐতিহাসিক এই সিরিজ শেষে দেশে ফিরেই ছুটে যান পরপারে পাড়ি জমানো বাবার কবরের পাশে। বাবার কবর জিয়ারতের সেই মুহূর্ত সমর্থকদের হৃদয় স্পর্শ করেছিল।

উল্লেখ্য, ভারতের হায়দরাবাদের অত্যন্ত দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসেছেন এই পেসার। বাবা মোহাম্মদ ঘাউস ছিলেন অটোচালক। কিন্তু ছেলের ক্রিকেট খেলার স্বপ্নে কোনওদিন বাধা দেননি। ক্রিকেট কোচিংয়ে ভর্তি করার টাকা ছিল না অটোচালক বাবার।

কিন্তু সিরাজ ঠিকই ভর্তি হতে পেরেছিলেন প্রতিভার ঝলক দেখিয়ে। অনুশীলনে যেতে বাবার কাছ থেকে প্রতিদিন হাতখরচ পেতেন ৭০ রুপি। যাতায়াত, খাওয়াদাওয়া—সব এর মধ্যেই। ওদিকে এই টাকায় স্কুটির তেলের খরচ জোটাতেই হাঁসফাঁস উঠে যেত সিরাজের।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি