1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
  3. [email protected] : lalashimul :
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ১১:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ইসলামের ভ্রাতৃত্ব ও মূল্যবোধের সঠিক প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নানাবিধ পদক্ষেপ নিয়েছেন: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী কোম্পানীগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ; আ.লীগের ১৬৩ কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন পুলিশ প্রস্তাবিত বাজেট তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনের অন্তরায়: প্রজ্ঞা বাংলাদেশে ভ্যাট নিবন্ধন নিল ফেসবুক ঝিনাইদহ থেকে ডাকাতি হওয়া পাটভর্তি ট্রাক খুলনা থেকে উদ্ধার, গ্রেফতার ৭ করোনা বিবেচনা করে ইউপি নির্বাচন হবে : সিইসি ঝিনাইদহে গৃহবধু রিতু হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার মধ্যে শুদ্ধাচার পুরষ্কার পেলেন গাইবান্ধার বিজ্ঞ জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন গাইবান্ধা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ ও শ্রেষ্ঠ এসআই গোবিন্দগঞ্জ থানা মির্জা ফখরুল প্রচণ্ড মিথ্যাচার করেন বলে ড. হাছান মাহমুদের দাবী

অটোচালকের ছেলে এখন বিএমডব্লিউর মালিক

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৬৮ বার দেখা হয়েছে

আলোচনায় ভারতীয় ক্রিকেটার মোহাম্মদ সিরাজ। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিতে বীরের বেশে দেশে ফিরেছেন এই পেসার। তার অটোচালক বাবা মোহাম্মদ ঘাউসের স্বপ্ন ছিল ছেলে মোহাম্মদ সিরাজ বড় ক্রিকেটার হবে, সেই স্বপ্ন পূরণও হয়েছে।

ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি সিরাজ এবার আলোচনায় এলেন বিএমডব্লিউ গাড়ির মালিক হয়ে। গতকাল শুক্রবার তিনি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে দুটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানেই নতুন গাড়ি চড়তে দেখা গেছে সিরাজকে।

অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে বাবার মৃত্যুর সংবাদ শুনেন। তবে মায়ের নির্দেশে অস্ট্রেলিয়ায় থেকে যান দেশের জন্য। প্রথম টেস্টে ভারতের ৩৬ রানের লজ্জার পর দ্বিতীয় টেস্টেই ভারতের হয়ে অভিষেক হয় সিরাজের। সিরিজে ৩ ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি।

চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে ২-১ ব্যবধানে হারায় ভারত। সিরাজ ঐতিহাসিক এই সিরিজ শেষে দেশে ফিরেই ছুটে যান পরপারে পাড়ি জমানো বাবার কবরের পাশে। বাবার কবর জিয়ারতের সেই মুহূর্ত সমর্থকদের হৃদয় স্পর্শ করেছিল।

উল্লেখ্য, ভারতের হায়দরাবাদের অত্যন্ত দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসেছেন এই পেসার। বাবা মোহাম্মদ ঘাউস ছিলেন অটোচালক। কিন্তু ছেলের ক্রিকেট খেলার স্বপ্নে কোনওদিন বাধা দেননি। ক্রিকেট কোচিংয়ে ভর্তি করার টাকা ছিল না অটোচালক বাবার।

কিন্তু সিরাজ ঠিকই ভর্তি হতে পেরেছিলেন প্রতিভার ঝলক দেখিয়ে। অনুশীলনে যেতে বাবার কাছ থেকে প্রতিদিন হাতখরচ পেতেন ৭০ রুপি। যাতায়াত, খাওয়াদাওয়া—সব এর মধ্যেই। ওদিকে এই টাকায় স্কুটির তেলের খরচ জোটাতেই হাঁসফাঁস উঠে যেত সিরাজের।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি