1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার করিমগঞ্জ রামনাথপুর ইউনিয়নের কসবা হিন্দু জেলে পল্লীতে আগুন আইন করে পতিতাবৃত্তি বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিলেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী ইভ্যালির পরিচালনা বোর্ডে সেই মাহবুব কবীর মিলন সাদুল্লাপুরে শেখ রাসেলের জন্ম বার্ষিক  উপলক্ষে তার প্রতিকৃতিতে বিনম্র  শ্রদ্ধা নিবেদন ঝিনাইদহে পলাতক আসামী গ্রেফতার ঝিনাইদহে আত্মহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতামুলক নাটক ‘অপমৃত্যু’ পরিবেশিত প্রেম প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলেন তরুণী মিয়ানমারে অশান্তির জন্য বিরোধীরা দায়ী : জান্তা প্রধান আমি সেই আগের বাংলাদেশ চাই… মেহের আফরোজ শাওন ওমানে বেরিয়ে পড়ল মাহমুদুল্লাহর দলের আসল চেহারা: ভারতীয় গণমাধ্যম পরিবারের অমতে বিয়ে, মেয়ে-জামাইসহ ৭ জনকে পুড়িয়ে হত্যা ইভ্যালি পরিচালনায় বিচারপতি মানিককে প্রধান করে কমিটি বিএনপি জামায়াত দেশব্যাপী হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা চালাচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৪২ আইনি লড়াইয়ে ১২ বছর পর স্বপদে ফিরলেন অধ্যক্ষ

অস্তিত্বহীন পোস্ট সেন্টারের নামে ৫৪১ কোটি টাকা লোপাট

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৭২ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : গ্রামের জনসাধারণকে ডিজিটাল সেবা দেওয়ার কথা বলে শত শত কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ এসেছে ডাক বিভাগের মহাপরিচালক সুধাংশু শেখর ভদ্রের বিরুদ্ধে। কেনাকাটা থেকে শুরু করে ডিজিটাল পোস্ট সেন্টার স্থাপন- সব খানে রয়েছে চরম অনিয়মের স্বাক্ষর। শুধু তাই নয় বহু ডিজিটাল সেন্টারের অস্তিত্বই নেই, তবুও নাম ভাঙিয়ে তুলে নিয়েছেন ৫৪০ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। ডাক বিভাগের গঠিত তদন্ত রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে। মহাপরিচালক হওয়ার আগে সুধাংশু শেখর ভদ্র ছিলেন ডাক বিভাগের উপ-মহাপরিচালক। তখন তিনিই ছিলেন এই প্রকল্পের পরিচালক। ৫৪০ কোটি ৯৪ লাখ টাকার ই পোস্ট ডাকঘর প্রকল্প বাস্তবায়ন হয় তার অধীনে।
একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সরেজমিন প্রতিবেদনে জানা যায়, গাজীপুরের কাপাসিয়ায় পাঁচটি ডাকঘর ঘুরে দেখা গেলো কোথাও কোথাও ডাক চলছে আরেক জনের দোকানে, কোথায়ও আবার পোস্ট অফিসই চলে গেছে পোস্টার মাস্টারের বাড়িতে। স্থানীয়রা জানান, আমাদের পোস্ট অফিস কোথায় আমরা নিজেরাই জানি না।
কয়েকজন পোস্ট মাস্টার বলেন, চেয়ার টেবিল দেবে বলেছে কম্পিউটার রাখার জন্য। ব্রাঞ্চ অফিসে এগুলো এখনো দেয় নাই।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বাস্তবে কাপাসিয়ার চরখামের ডাকঘর একটি কিন্তু নথিতে ব্যবহার করা হয়েছে দুই জায়গায়। এভাবেই এক স্থানের নাম অসংখ্য বার লিখে সাড়ে আট হাজার ডাকঘরের তালিকা পূর্ণ করা হয়েছে।
এক পোস্ট মাস্টার বলেন, আমাদের পোস্ট অফিসটা অনেক পুরনো। মেরামত করার জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু ওরা বলছে যে সময় লাগবে।
আরেক পোস্ট মাস্টার বলেন, কাজ করতে পারতেছি না। কম্পিউটার নষ্ট হয়ে গেছে। স্ক্যানার মেশিন নষ্ট হয়ে গেছে।
ডাক বিভাগের ২০১৫-১৬ সালে একটি নথিতে দেখা যায় কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি কেনা হয়েছে দেখানো হলেও খাতায় উল্লেখ নেই কি কেনা হয়েছে? এসব যন্ত্রপাতি গ্রহণ কমিটির কাছেও সুধাংশু ভদ্র ছিলেন এক অতি পরিচিত নাম।
ডাক অধিদফতরের প্রকৌশলী আনজির আহমেদ একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে বলেন, ফাইলপত্র আমাদের কাছে কখনো দেয়নি। আমাদের কোন গ্রহণ কমিটিতেও রাখেনি।
খোদ মন্ত্রণালয়ের গঠিত ২টি তদন্ত কমিটির রিপোর্ট বলছে প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে সবখানে। এই বিষয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার গণমাধ্যমকে বলেন, অনিয়ম প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, এই তদন্তের ফলাফল চূড়ান্তভাবে আসবে আমার কাছে। তার প্রেক্ষিতে অবশ্যই আমি ব্যবস্থা নিবো।
এদিকে, ২০১২ সালে শুরু হয়ে ২০১৭ সালে শেষ হওয়া প্রকল্পের দুর্নীতি নিয়ে এরই মধ্যে ডাক বিভাগের মহাপরিচালক সুধাংশু শেখর ভদ্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি