1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
মঙ্গলবার, ০৬ জুন ২০২৩, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন

আত্মবিশ্বাসী আজমত বললেন ‘নৌকার জয় হবে’

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৫ মে, ২০২৩
  • ২৭ বার দেখা হয়েছে

আওয়ামী লীগের প্রার্থীর ভাষ্য, গত ১০ বছর গাজীপুরের ভোটারদের কেবল হতাশ হতে হয়েছে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রার্থী আজমত উল্লা খান বলেছেন, জয়ের বিষয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ঢাকার লাগোয়া এ সিটি করপোরেশনে ইভিএমে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকাল ৮টা ৫০ এ টঙ্গীর দারুস সালাম মাদ্রাসা কেন্দ্রে নিজের ভোট দেন আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী আজমত উল্লা খান।

ভোট দিয়ে বেরিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “আল্লাহর উপর ভরসা রেখে আমি বলতে চাই, আজকে জয় এখানে নৌকারই হবে। তারা (ভোটার) যে দুর্নীতিমুক্ত সিটি করপোরেশন চেয়েছেন, সেই সিটি করপোরেশন করার লক্ষ্যে নৌকায় ভোট দেওয়ার মাধ্যমে জনগণই জয়ী হবে।”

ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আজমত বলেন, “আপনারা লক্ষ্য করছেন, এই সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে গাজীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে মানুষ ভোট দিচ্ছে। ভোটকেন্দ্রে সকাল থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য হাজার হাজার মানুষ এসে জড়ো হয়েছে, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে।”

এ নিয়ে তৃতীয়বারের মত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দিচ্ছে গাজীপুরবাসী। আগের দুই মেয়াদ মিলিয়ে দশ বছরে জনগণকে কেবল হতাশ হতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

তিনি বলেন, “তারা (ভোটাররা) যা চেয়েছিল, তা না পেয়ে আজকে সকাল থেকে এক বুক আশা নিয়ে অপেক্ষা করছে। আমি ভোটারদের ধন্যবাদ জানাই, তারা সকাল থেকে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে এখানে জড়ো হয়েছেন।”

গাজীপুরের এবারের ভোটে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনার কথা বলছেন বিশ্লেষকরা, সেখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আজমত উল্লা খানই রয়েছেন মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।

দশ বছর আগেও ভোট করেছিলেন আজমত, ২০১৩ সালে বিএনপির প্রার্থীর কাছে লাখো ভোটের ব্যবধানে হেরে যান তিনি। ২০১৮ সালের ভোটে দলের মনোনয়ন না পেলেও এবার ফেরার লড়াইয়ে নৌকার এ প্রার্থী।

বিএনপি এবার দলীয়ভাবে মাঠে নেই। তবে সরকার শাহনুর ইসলাম রনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন, যার বাবা বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। চাচা হাসানউদ্দিন সরকার ২০১৮ সালের ভোটে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ছিলেন, শেষ পর্যন্ত হেরে গিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলমের কাছে।

বিতর্কিত বক্তব্যের জেরে জাহাঙ্গীরকে দলীয় পদ হারাতে হয়েছিল, মেয়াদপূর্তির আগেই ছাড়তে হয়েছিল মেয়র পদ। নির্বাচনের আগে দলের ক্ষমা পেলেও তিনি নির্বাচনে মনোয়ন পাননি। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় আওয়ামী লীগ তাকে আবারও বহিষ্কার করেছে। আর নির্বাচন কমিশন তার প্রার্থিতা বাতিল করেছে ঋণ খেলাপি কোম্পানির জামিনদার হওয়ার অভিযোগে।

জাহাঙ্গীরের একটি কৌশল অবশ্য কাজে লেগেছে। নিজের সঙ্গে মায়ের জন্যও স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন তিনি। তার মা জায়েদা খাতুনের প্রার্থিতা টিকে যাওয়ায় তিনি এখন মেয়র পদের প্রার্থী।

সব মিলিয়ে দলীয় প্রতীকে পাঁচজন এবং তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর এ ভোটে শেষ পর্যন্ত ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনার কথাই বলছে সবাই।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ প্রার্থী আজমত উল্লা খান বলেছেন, জয়ের বিষয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ঢাকার লাগোয়া এ সিটি করপোরেশনে ইভিএমে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। সকাল ৮টা ৫০ এ টঙ্গীর দারুস সালাম মাদ্রাসা কেন্দ্রে নিজের ভোট দেন আওয়ামী লীগের নৌকার প্রার্থী আজমত উল্লা খান।

ভোট দিয়ে বেরিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “আল্লাহর উপর ভরসা রেখে আমি বলতে চাই, আজকে জয় এখানে নৌকারই হবে। তারা (ভোটার) যে দুর্নীতিমুক্ত সিটি করপোরেশন চেয়েছেন, সেই সিটি করপোরেশন করার লক্ষ্যে নৌকায় ভোট দেওয়ার মাধ্যমে জনগণই জয়ী হবে।”

ভোটের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আজমত বলেন, “আপনারা লক্ষ্য করছেন, এই সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে গাজীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে মানুষ ভোট দিচ্ছে। ভোটকেন্দ্রে সকাল থেকে ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য হাজার হাজার মানুষ এসে জড়ো হয়েছে, সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে আছে।”

এ নিয়ে তৃতীয়বারের মত সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট দিচ্ছে গাজীপুরবাসী। আগের দুই মেয়াদ মিলিয়ে দশ বছরে জনগণকে কেবল হতাশ হতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী।

তিনি বলেন, “তারা (ভোটাররা) যা চেয়েছিল, তা না পেয়ে আজকে সকাল থেকে এক বুক আশা নিয়ে অপেক্ষা করছে। আমি ভোটারদের ধন্যবাদ জানাই, তারা সকাল থেকে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে এখানে জড়ো হয়েছেন।”

গাজীপুরের এবারের ভোটে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনার কথা বলছেন বিশ্লেষকরা, সেখানে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আজমত উল্লা খানই রয়েছেন মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।

দশ বছর আগেও ভোট করেছিলেন আজমত, ২০১৩ সালে বিএনপির প্রার্থীর কাছে লাখো ভোটের ব্যবধানে হেরে যান তিনি। ২০১৮ সালের ভোটে দলের মনোনয়ন না পেলেও এবার ফেরার লড়াইয়ে নৌকার এ প্রার্থী।

বিএনপি এবার দলীয়ভাবে মাঠে নেই। তবে সরকার শাহনুর ইসলাম রনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন, যার বাবা বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন। চাচা হাসানউদ্দিন সরকার ২০১৮ সালের ভোটে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ছিলেন, শেষ পর্যন্ত হেরে গিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের জাহাঙ্গীর আলমের কাছে।

বিতর্কিত বক্তব্যের জেরে জাহাঙ্গীরকে দলীয় পদ হারাতে হয়েছিল, মেয়াদপূর্তির আগেই ছাড়তে হয়েছিল মেয়র পদ। নির্বাচনের আগে দলের ক্ষমা পেলেও তিনি নির্বাচনে মনোয়ন পাননি। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ায় আওয়ামী লীগ তাকে আবারও বহিষ্কার করেছে। আর নির্বাচন কমিশন তার প্রার্থিতা বাতিল করেছে ঋণ খেলাপি কোম্পানির জামিনদার হওয়ার অভিযোগে।

জাহাঙ্গীরের একটি কৌশল অবশ্য কাজে লেগেছে। নিজের সঙ্গে মায়ের জন্যও স্বতন্ত্র হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন তিনি। তার মা জায়েদা খাতুনের প্রার্থিতা টিকে যাওয়ায় তিনি এখন মেয়র পদের প্রার্থী।

সব মিলিয়ে দলীয় প্রতীকে পাঁচজন এবং তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর এ ভোটে শেষ পর্যন্ত ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনার কথাই বলছে সবাই।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি