1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
  3. [email protected] : lalashimul :
সোমবার, ১৪ জুন ২০২১, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ইসলামের ভ্রাতৃত্ব ও মূল্যবোধের সঠিক প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নানাবিধ পদক্ষেপ নিয়েছেন: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী কোম্পানীগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ; আ.লীগের ১৬৩ কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করেন পুলিশ প্রস্তাবিত বাজেট তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনের অন্তরায়: প্রজ্ঞা বাংলাদেশে ভ্যাট নিবন্ধন নিল ফেসবুক ঝিনাইদহ থেকে ডাকাতি হওয়া পাটভর্তি ট্রাক খুলনা থেকে উদ্ধার, গ্রেফতার ৭ করোনা বিবেচনা করে ইউপি নির্বাচন হবে : সিইসি ঝিনাইদহে গৃহবধু রিতু হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার মধ্যে শুদ্ধাচার পুরষ্কার পেলেন গাইবান্ধার বিজ্ঞ জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন গাইবান্ধা জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ ও শ্রেষ্ঠ এসআই গোবিন্দগঞ্জ থানা মির্জা ফখরুল প্রচণ্ড মিথ্যাচার করেন বলে ড. হাছান মাহমুদের দাবী

আবরার হত্যার একবছর : অগ্রগতি শুধুমাত্র সাক্ষ্যগ্রহণ

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৮৯ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর আজকের এই দিনে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। সে হিসেব অনুযায়ী একবছর পূর্ণ হচ্ছে আজ। হত্যা মামলাটির মাত্র এক মাসের মাথাই আদালতে চার্জশিট দাখিল করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আর চার্জশিট দাখিলের এগারো মাস পর শুরু হয় বিচারকাজ। এ সময়ের মধ্যে মামলার বিচারের অগ্রগতি শুধুমাত্র ‘সাক্ষ্যগ্রহণ’ পর্যন্ত এগিয়েছে।

বর্তমানে মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে বিচারাধীন। মামলাটিতে গত ৫ অক্টোবর থেকে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে, যা চলবে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত। সাপ্তাহিক ছুটি শুক্রবার এবং শনিবার এবং সরকারি ছুটি বাদে নিয়মিত মামলাটিতে সাক্ষ্য গ্রহণ চলবে।

সংশ্লিষ্ট আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আবু আব্দুল্লাহ ভূঞা বলেন, মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আমাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। আমরা সেভাবে শুরু করেছিলাম কিন্তু মাঝে করোনাভাইরাসের কারণে আদালত বন্ধ থাকায় কার্যক্রম হয়নি। এখন আবার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ৬০ জন সাক্ষী এবং আসামিও ২৫ জন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো যেন মামলাটির বিচার দ্রুত শেষ হয়।

বুয়েট কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবী এহেসানুল হক সমাজী জানান, করোনার কারণে বিচার কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। বিলম্ব হওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই। আমাদের হাতে ৮ আসামির দোষ স্বীকারোক্তি জবানবন্দি রয়েছে, যা সব আসামিদের এ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত মর্মে সম্পৃক্ততা প্রকাশ করেছে। এছাড়াও অনেক ভিডিও ফুটেজ, ডকুমেন্টস রয়েছে যা আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়ার ব্যাপারে যৌক্তিক কারণ হিসেবে কাজ করবে।

অপরদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফারুক আহাম্মদ বলেন, মনে হয় মামলাটা নিয়ে একটু তাড়াহুড়া করা হচ্ছে। ৫ অক্টোবর থেকে ২৭ অক্টোবর ১৭টি ধার্য তারিখ সাক্ষ্যের জন্য রাখা হয়েছে। বিচার দ্রুত হোক আমরাও চাই। তবে এত দ্রুত নয় যে, যার কারণে আসামিরা প্রস্তুতির অভাবে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়।

নিহতের আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বলেন, মহামারি করোনার প্রভাব না পড়লে মামলাটির বিচার এতদিনে শেষ হয়ে যেত। এখন যেন আর বিচারটা বিলম্ব না নয়। আশা করছি দ্রুততার সঙ্গে মামলার বিচার শেষে রায় হবে এবং আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হবে। দৃষ্টান্তমূলক সাজা হলে পরবর্তীতে আর কেউ এমন নৃশংস কাজ করার সাহস পাবে না।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর ভোরে বুয়েটের শেরেবাংলা হলের সিঁড়ি থেকে আবরার ফাহাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জানা যায়, শিবির সন্দেহে তাকে ডেকে নিয়ে বন্ধ ঘরে পিটিয়ে মেরেছেন বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ চকবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

এম এ হালিম

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি