1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মুফতি ইব্রাহীম আটক বিশ্বে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়েছে ফাইজারের আরও ২৫ লাখ টিকা দেশে পৌঁছেছে করোনা টিকার বুস্টার ডোজ নিলেন বাইডেন দ্বিতীয় ডোজ টিকার আওতায় ১ কোটি ৬৫ লাখ মানুষ প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে গণটিকা কার্যক্রম শুরু শেখ হাসিনা তাঁর পিতার মতোই গণমানুষের নেতা : রাষ্ট্রপতি দুই সিটির ১২৯ কেন্দ্রে গণটিকা দেওয়া হবে কাল বাংলাদেশ রেলওয়ের উন্নয়নে অবদান রাখছে ভারত : দোরাইস্বামী স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক পদে রদবদল স্পিকারের সঙ্গে মালদ্বীপের হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন বাস্তবতা : প্রধানমন্ত্রী সাংবিধানিক সংকট সৃষ্টির চেষ্টায় বিএনপি: তাজুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ই-পোস্টার প্রকাশ তিনটি শর্ত না মানায় বাদ দীঘি, বনির নায়িকা শালুক

আবারও নো ইলেকশন পলিসিতে বিএনপি

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৩৯ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ২০১৪ সালের দশম জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। শুধু বর্জনেই সীমারদ্ধ না থেকে ভোট প্রতিহতেরও ডাক দেয় সেসময়। ভোট কেন্দ্র পুড়িয়ে দেয়া থেকে শুরু করে আগুন সন্ত্রাসের খেলায় মেতে ছিল তারা। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেসময় সর্বদলীয় সরকার গঠন করতে বিএনপিকে প্রস্তাব দেয়। খালেদা জিয়াকে সর্বদলীয় সরকার গঠন করতে ফোন কলও করেন তিনি। এর পাশাপাশি সেসময় স্বররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে শুরু করে যে সকল মন্ত্রণালয় বিএনপি চাইবে, সব দিতেও রাজি ছিলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। প্রধানমন্ত্রী মনেপ্রাণে চাচ্ছিলেন দলীয় সরকারের অধীনে জাতিকে একটি ভালো নির্বাচন উপহার দিতে।

কিন্তু বিএনপি বলেছিল যে, নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় তত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া তারা নির্বাচনে যাবে না। ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে পাঁচটি সিটি কর্পোরেশনে মেয়র নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ৫টি সিটি নির্বাচনের সবগুলোতে বিএনপি জয় লাভ করেছিল। বিএনপির পক্ষে সে সময় ভোটে জোয়ারও ছিল। তারপরও বিএনপি দশম জাতীয় নির্বাচনে কেন যায়নি সেটিও একটি রহস্যময় ব্যাপার।

এরপর খালেদা জিয়া গ্রেফতার হন। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের সময়ও খালেদা জিয়া জেলে ছিলেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে বিএনপির শর্ত থাকলেও ১৮তে এসে প্রায় শর্তহীনভাবেই দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে আসে। এবং নির্বাচনে ৩০০ আসনের বিপরীতে মাত্র সাতটি আসন লাভ করে বিএনপি।

জাতীয় নির্বাচনে ভরাডুবির পর বিএনপি কয়েকটি উপ-নির্বাচনেও অংশগ্রহণ করে এবং গো-হারা হারতে থাকে। এক পর্যায়ে নির্বাচন প্রক্রিয়া থেকে সরে আসে বিএনপি। বিএনপির ভাষ্য, দলীয় সরকার এবং এ নির্বাচন কমিশনের অধীনে আর নির্বাচনে যাবে না তারা।

বর্তমানে আবারও তত্বাবধায়ক সরকারের দাবি করছে। যদিও ২০১৮ সালের নির্বাচনে দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচনে এসেছিল। বিএনপি অভ্যন্তরীণভাবে মনে করছে, তারা যদি নির্বাচনে না আসে তবে আওয়ামী লীগ ২০১৪ সালের মতো আরেকটি নির্বাচন করতে পারবে না। ’তত্বাবধাক সরকার বা নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন ছাড়া নির্বাচন নয়’ এই প্রতিপাদ্য নিয়েই বিএনপি এখন অপরাপর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা ও নির্বাচন বানচালের নীল নকশা প্রণয়ন করছে।

প্রসঙ্গত, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল দেশ পরিচালনা করে বিএনপি। সে সময়ে দলীয় নেতাদের সীমাহীন দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি, কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচারসহ নানা কারণে বিএনপির ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন সাধারণ মানুষ৷ এছাড়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে সোচ্চার হয়েছেন দেশের মানুষ৷ সেখানে বিএনপি জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন করেছে৷ এসবেরই প্রতিফলন ঘটেছিল ২০০৮ সালের নির্বাচনে। উক্ত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে এবং টানা তিন মেয়াদে দেশ পরিচালনা করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি