1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
  3. [email protected] : lalashimul :
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ০৪:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ফের ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানী ৭ দিনের রিমান্ডে শেষ কার্যদিবসে সূচকের মিশ্র প্রবণতায় চলছে লেনদেন শ্রমিক হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ও খাদ্যের দাবিতে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের বিক্ষোভ যারা এতিমদের পুঁজি করে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করেন তারা অবশ্যই পাপী : মনোরঞ্জন শীল গোপাল নিজগৃহে “পরবাসী” দৃষ্টিপ্রতিবন্দী শান্ত  বাঁশখালীতে নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে ৩ কোটি টাকা করে দিতে রিট প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে প্রস্তুতি নেবেন যেভাবে প্রতিষ্ঠানের নামে সঞ্চয়পত্র বিক্রি করতে পারবে না ব্যাংক-পোস্ট অফিস করোনা রোগী বাড়লে আর সামাল দেওয়া সম্ভব হবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৬ মেয়ের দায়িত্ব কাঁধে, তাই সাইকেল চালিয়ে দুধ বিক্রি করেন এই ৬২ বছরের বৃদ্ধ মহিলা

আ.লীগ নেতা আতিক হত্যায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১০১ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানী ঢাকার কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরীকে হত্যার পর মরদেহ পোড়ানোর অভিযোগে করা মামলায় ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পেশকার সামছুদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- গুলজার হোসেন, আশিক, শিহাব আহমেদ ওরফে শিবু, আহসানুল কবির ইমন, তাজুল ইসলাম তানু, জাহাঙ্গীর খাঁ ওরফে জাহাঙ্গীর এবং রফিকুল ইসলাম ওরফে আমিন ওরফে টুন্ডা আমিন।
মরদেহ পোড়ানোর অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাতজনকেই সাত বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় শম্পাকে খালাস দিয়েছেন আদালত। মামলার অন্য আসামিরা পলাতক।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন কোন্ডা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্ল্যাহ চৌধুরী। নিখোঁজের পরদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর এলাকার একটি হাসপাতালের মরদেহ থেকে তার আগুনে পোড়া বিকৃত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
আসামিরা তাকে হত্যা করে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে পুড়িয়ে ফেলে। পরে তার সঙ্গে থাকা কাগজ ও এটিএম কার্ড দেখে মরদেহ শনাক্ত করেন ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী।
সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারি ৮জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দেয় পুলিশ।
২০১৫ সালের ২ জুলাই আটজন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলায় ২১ সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময় ১১ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি