1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ন্যাটোতে প্রবেশে ফিনল্যান্ড-সুইডেনকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিলেন বাইডেন খোলাবাজারে ডলারের দাম রেকর্ড ১১৯ টাকা ঢাকায় ওসির বিপুল সম্পদ: রিটকারীকে দুদকে আবেদন দিতে বললেন হাইকোর্ট বিয়ে না করে সন্তান জন্মদান: কিশোর-কিশোরীর অভিভাবককে তলব ক্যানসার গবেষণায় বাংলাদেশি গবেষকের সাফল্যে নোয়াখালীর ড. মো. জসিম কর ফাঁকি ও অর্থপাচার রোধে ‘কমন রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড’ অবলম্বন করুন: টিআইবি সুইস ব্যাংকে জমা অর্থের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির তথ্য চায়নি বাংলাদেশ মার্চেই শেষ হবে সায়েদাবাদে আধুনিক বাস টার্মিনাল নির্মাণ: মেয়র তাপস বাংলাদেশের বিশেষ কোন দলকে সমর্থন করে না যুক্তরাষ্ট্র: রাষ্ট্রদূত সম্রাটের জামিন বাতিলের আদেশ বহাল

ইভ্যালির সিইও রাসেল ও চেয়ারম্যান শারমীন গ্রেফতার

রিপোর্টার
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৮৪ বার দেখা হয়েছে

গ্রাহকদের নানা অভিযোগে আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সিইও মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।
বৃহস্পতিবার বিকেল তাদের মোহাম্মদপুরের বাসায় চালানো অভিযানে এ দম্পতিকে গ্রেফতার করা হয়।

এর আগে, ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেলের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে একটি মামলা করা হয়। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বগ্রাম এলাকার বাসিন্দা মো. আরিফ বাকের নামের ইভ্যালির এক গ্রাহক গুলশান থানায় মামলাটি করেন।

মামলায় ইভ্যালি এমডি মোহাম্মদ রাসেলকে এক নম্বর আসামি ও চেয়ারম্যান শামীমাকে দুই নম্বর আসামি করা হয়। মামলাটিতে ইভ্যালির আরো বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে ‘অজ্ঞাতনামা’ দেখিয়ে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে আরিফ বাকের উল্লেখ করেছেন, ইভ্যালির অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকার পণ্য অর্ডার করেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি তা পাননি। নিরুপায় হয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ করেন তিনি।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ২৯ মে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে অভিযোগকারী আরিফ বাকের ও তার বন্ধুরা ২০২১ সালের মে ও জুন মাসে কিছু পণ্য অর্ডার করেন। পণ্যের অর্ডার বাবদ সব মূল্য বিকাশ, নগদ ও সিটি ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে সম্পূর্ণ পরিশোধ করেন তারা।

পণ্যগুলো ৭ থেকে ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে ডেলিভারি ও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে পণ্য সরবরাহে ব্যর্থ হলে প্রতিষ্ঠান সমপরিমাণ টাকা ফেরত দিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ ছিল। কিন্তু ওই সময়সীমার মধ্যে পণ্যগুলো ডেলিভারি না পাওয়ায় বহুবার ইভ্যালির কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধিকে ফোন করা হয়। সর্বশেষ গত ৫ সেপ্টেম্বর যোগাযোগ করে অর্ডার করা পণ্যগুলো পাওয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন আরিফরা। একপর্যায়ে ইভ্যালি পণ্য প্রদান ও টাকা প্রদানে ব্যর্থ হওয়ার পর ৯ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির ধানমন্ডির অফিসে যান আরিফ ও তার বন্ধুরা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি