1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
  3. [email protected] : lalashimul :
শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঢাবি শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ মামলায় আল মামুনের বিরুদ্ধে চার্জশিট, নুরসহ ৫ জনকে অব্যাহতি ময়মনসিংহে ছাত্রদলের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, আহত ২৬ বিএনপি কথামালার আড়ালে জনবিরোধী এক ধ্বংসাত্মক অপশক্তির পৃষ্ঠপোষক : কাদের আলতাফ হোসেন চৌধুরীর মৃত্যুতে বৃহত্তর নোয়াখালী কর্মকর্তা ফোরামের শোক পাকিস্তানে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত অনলাইনে শ্রেণিপাঠ দেওয়ার জন্য ডেডিকেটেড টিভি চ্যানেলের কথা ভাবছে সরকার: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী মার্চেই শুরু হবে পাতালরেলের কাজ ‘প্রয়োজনে পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে’ : ডিবি বামনডাঙ্গা রেলস্টেশনের শতবর্ষী গাছ কর্তন করে ২০ লাখ টাকা আত্নসাত করার অভিযোগে প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে মামলা উত্তর কোরিয়ার খাদ্য সংকটের কথা স্বীকার করলেন কিম জং উন

উচ্ছেদের চিঠি যায়, তবু উচ্ছেদ হয় না

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৩৩ বার দেখা হয়েছে

বুড়িগঙ্গার তীরে বিআইডব্লিউটিএর উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দিতে দলবল নিয়ে সেখানে যান
বুড়িগঙ্গার তীরে বিআইডব্লিউটিএর উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দিতে দলবল নিয়ে সেখানে যান
তুরাগ ও বুড়িগঙ্গা নদীর জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র উচ্ছেদে অভিযান চালাতে প্রায় এক মাস আগে চিঠি দিয়েছিল নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অনুসরণ না করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ও ঢাকা জেলা প্রশাসন উল্টো এ বিষয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা নিতে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনকে চিঠি দিয়েছে। অবৈধভাবে গড়ে তোলা ওই দুটি স্থাপনার মালিক ঢাকা-১৪ আসনের ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাংসদ আসলামুল হক।
গত ১২ জানুয়ারি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. আমিনুর রহমানের সই করা চিঠিটি বিআইডব্লিউটিএ এবং ঢাকার জেলা প্রশাসককে পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, ‘জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের পত্রের আলোকে জেলা প্রশাসক, ঢাকার সাথে সমন্বয় করে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য (অতিরিক্ত সচিব) মো. আলাউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, উচ্ছেদের পরিকল্পনা বিআইডব্লিউটিএ–কেই নিতে হবে। এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ নদী রক্ষা কমিশনের নেই।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী সেতু (বছিলা সেতু নামে পরিচিত) পার হলেই ডান পাশে নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে তোলা হয়েছে ‘আরিশা প্রাইভেট ইকোনমিক জোন’ ও ‘মায়িশা গ্রুপের পাওয়ার প্ল্যান্ট’। তুরাগ ও বুড়িগঙ্গার সংযোগস্থলের পাশেই এই দুটি স্থাপনা। দুটি স্থাপনাকে অবৈধ চিহ্নিত করে গত বছরের মার্চ মাসে বিআইডব্লিউটিএ উচ্ছেদ অভিযান চালাতে গেলে বাধা দেন সাংসদ আসলাম। পরে তিনি আদালতের শরণাপন্ন হন এবং একই সঙ্গে তাঁর দখলে থাকা জমি বুড়িগঙ্গা বা তুরাগের সীমানার মধ্যে পড়েছে কি না, তা নির্ধারণ করতে যৌথ জরিপ পরিচালনার জন্য জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনে আবেদন করেন।
আদালতের নির্দেশ এবং সাংসদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি, জরিপ ও পরিদর্শন শেষে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন নিশ্চিত হয়, ওই সব স্থাপনা অবৈধ। কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, সাংসদ আসলাম আবেদনে দাবি করেছিলেন, তাঁর ওই স্থাপনা ৫১ একরের কিছু বেশি জায়গাজুড়ে রয়েছে। কিন্তু জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে, জমির পরিমাণ ৫৪ একরের কিছু বেশি। এর মধ্যে বুড়িগঙ্গা ও তুরাগতীর এবং বন্দরের সীমার জমি প্রায় ৮ একর, নদীর জমি প্রায় ১৩ একর। বাকি জমি ড্যাপের আওতাভুক্ত।
উচ্ছেদ অভিযানের বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক প্রথম আলোকে বলেন, সাংসদের ৫৪ একরের মধ্যে শুধু ৮ একর পড়েছে বিআইডব্লিউটিএর আওতার মধ্যে। সেখানে তারা যেকোনো দিন গিয়ে সীমানা পিলার বসিয়ে আসতে পারেন। আর মূল স্থাপনা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও রাজউকের আওতায় পড়েছে। সেগুলো কারা উচ্ছেদ করবে, সে বিষয়ে তাদের ধারণা নেই।
উচ্ছেদের চিঠিটি পাঠানো হয়েছিল মূলত বিআইডব্লিউটিএ–কে। বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান বলছেন, এই উচ্ছেদ একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। এ জন্য একটি সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন। এই পরিকল্পনার জন্য তিনি নদী কমিশনকে চিঠি পাঠিয়েছেন। এখন নদী কমিশন বা বিআইডব্লিউটিএ পরিকল্পনা নিলে জেলা প্রশাসন উচ্ছেদে সব ধরনের সহায়তা করবে।
মো. শহীদুল ইসলাম , ঢাকা জেলা প্রশাসক
বিআইডব্লিউটিএর একজন কর্মকর্তা বলেন, সাংসদ আসলাম তাঁর দখল করা জায়গায় উচ্ছেদে স্থগিতাদেশ চেয়ে নিম্ন ও উচ্চ আদালতে ৯টি মামলা করেছেন। এর মধ্যে চারটি মামলার রায়ই বিআইডব্লিউটিএর পক্ষে এসেছে। মামলায় তিনি হেরে গেলেই বলেন বিষয়টা মানেন না। এ বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলকেও তাঁরা চিঠি দিয়েছেন।
ঢাকা জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, উচ্ছেদের চিঠিটি পাঠানো হয়েছিল মূলত বিআইডব্লিউটিএ–কে। বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান বলছেন, এই উচ্ছেদ একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। এ জন্য একটি সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন। এই পরিকল্পনার জন্য তিনি নদী কমিশনকে চিঠি পাঠিয়েছেন। এখন নদী কমিশন বা বিআইডব্লিউটিএ পরিকল্পনা নিলে জেলা প্রশাসন উচ্ছেদে সব ধরনের সহায়তা করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি