1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উন্নত বাংলাদেশ গড়তে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি অপরিহার্য : রাষ্ট্রপতি একদিনে করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪৮০ ‘বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে’ বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নতুন আইজিপির শ্রদ্ধা এক দিনে রেকর্ড ৬৩৫ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি দুর্গোৎসব অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি : ডেপুটি স্পিকার ৪ বছরেও সড়ক আইন বাস্তবায়নে বিধিমালা হয়নি : ইলিয়াস কাঞ্চন তোয়াব খান ছিলেন বাংলাদেশের সাংবাদিকতা জগতের পথিকৃৎ : রাষ্ট্রপতি ইরানে পুলিশ স্টেশনে হামলায় বিপ্লবী গার্ডসের কর্নেলসহ নিহত ১৯ এ বছর এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি : শিক্ষামন্ত্রী

এসএম সুলতানের ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪৩৭ বার দেখা হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট
বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ শনিবার। ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। জন্মভূমি নড়াইলের কুড়িগ্রামে তাকে শায়িত করা হয়।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এস এম সুলতান ফাউন্ডেশন ও জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সকালে শিল্পীর কবর স্থানে কোরআনখানি, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। করোনার কারণে এবার সংক্ষিপ্ত পরিসরে মৃত্যুবার্ষিকীর আয়োজন থাকছে।

গণমানুষের শিল্পী এসএম সুলতান ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট নড়াইলের চিত্রা নদীর পাড়ে মাছিমদিয়ায় জন্ম নেন। তার বাবার নাম মেছের আলী ও মা মাজু বিবি। ১৯২৮ সালে ভর্তি হন নড়াইল ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুলে। স্কুলের অবসরে রাজমিস্ত্রি বাবাকে কাজে সহযোগিতা করতেন শেখ মোহাম্মদ সুলতান। এ সময়ে ছবি আঁকার হাতেখড়ি তার। সুলতানের আঁকা সেই সব ছবি স্থানীয় জমিদারদের দৃষ্টি আর্কষণ করে।

নড়াইলের জমিদার ব্যারিস্টার ধীরেন রায়ের আমন্ত্রণে ১৯৩৩ সালে রাজনীতিক ও জমিদার শ্যামাপ্রাসাদ মুখোপাধ্যায় ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুল পরিদর্শনে গেলে তার একটি প্রতিকৃতি (পোট্রেট) আঁকেন পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র সুলতান। মুগ্ধ হন শ্যামা প্রাসাদসহ অন্যরা। লেখাপড়া ছেড়ে ১৯৩৮ সালে কলকাতায় গিয়ে ছবি আঁকা ও জীবিকা নির্বাহ শুরু করেন। সে সময় চিত্র সমালোচক শাহেদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। সোহরাওয়ার্দীর সুপারিশে একাডেমিক যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও ১৯৪১ সালে কলকাতা আর্ট স্কুলে ভর্তির সুযোগ পান সুলতান। ১৯৪৪ সালে আর্ট স্কুল ত্যাগ করে ঘুরে বেড়ান এখানে-সেখানে। এরপর জীবনের নানা চরাই-উৎরাই পেরিয়ে এবং সংগ্রামী জীবনের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে গেছেন।

সুলতানের শিল্পকর্মে বিষয় ছিল বাংলার কৃষক, জেলে, তাঁতি, কামার, কুমার, মাঠ, নদী, হাওর, বাঁওড়, জঙ্গল, সবুজ প্রান্তর। চিত্রাঙ্কনের পাশাপাশি বাঁশি বাজাতে পটু ছিলেন। পুষতেন সাপ, ভাল্লুক, বানর, খরগোশ, মদনটাক, ময়না, গিনিপিগ, মুনিয়া, ষাঁড়সহ বিভিন্ন প্রাণি।

চিত্রশিল্পের খ্যাতি হিসেবে ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’, নিউইয়র্কের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার থেকে ‘ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট’ এবং এশিয়া উইক পত্রিকা থেকে ‘ম্যান অব এশিয়া’ পুরস্কার পেয়েছেন। এছাড়া ১৯৮২ সালে একুশে পদকসহ ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হন। ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের রেসিডেন্ট আর্টিস্ট স্বীকৃতি এবং ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা লাভ করেন।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি