1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
মঙ্গলবার, ০৬ জুন ২০২৩, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন

কক্সবাজারে নৌকার মনোনয়ন পেলো বিতর্কিত মাহাবুবুর চৌধুরী

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট : সোমবার, ৮ মে, ২০২৩
  • ৪৩৬০ বার দেখা হয়েছে

কার ইশারায় জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয় পোড়ানো জামাত নেতা ও পৌর বি.এন.পির সাংগঠনিক সম্পাদকের আপন ভাই নৌকার মনোয়ন পেলো?

জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মেয়র মুজিবুর রহমানকে মনোনয়ন না দিয়ে মনোনয় দেয়া হয় পৌরসভারই কাউন্সিলর মাহবুবুর রহমান চৌধুরী। যার আপন বড় ভাই ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কক্সবাজার জেলা শাখার কার্যালয় আগুন দিয়ে পোড়ানের তিন (৩) নম্বর আসামী, জামাতে ইসলামীর ভয়ংকর ক্যাডার মুজিবুর। যে মামলার বাদী ছিলেন কক্সাবাজার জেলা আওয়ামীলীগের আমৃত্যু সভাপতি মোজাম্মেল হক। আর আপন ছোট ভাই মাসুদুর রহমান কক্সবাজার শহর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও বর্তমান জেলা যুবদলের সহ-সভাপতি এবং পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। তার বাবা আবদুল মাবুদ চৌধুরী জাতীয় পার্টির রাজনীতির সাথে জড়িত এবং দুর্নীতির দায়ে জনতা ব্যাংক থেকে সাসপেন্ড হয়েছিলেন। এছাড়া মাহবুবুর রহমান চৌধুরীর আসল বাড়ি জামায়াত অধ্যুষিত এলাকা সাতকানিয়ায়। কর্মসূত্রে তার বাবার সাথে কক্সবাজারে এসেছিলেন।

এ মনোনয়ন নিয়ে কক্সবাজারের ভোটারদের মধ্যে তৈরী হয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কক্সবাজার এক সময় জামাত-বি.এন.পির শক্ত ঘাঁটি ছিলো। অনেকের মতে, সদ্য-সাবেক এক উচ্চ-পদস্থ সরকারি কর্মকর্তার বিভিন্ন ব্যবসার সাথে যুক্ত মাহবুবুর রহমান। তিনি অতি সম্প্রতি দলীয় ফোরামে স্থান পাওয়ায় তারই ইশারায় মনোনয়ন পেয়েছেন মাহবুবুর রহমান চৌধুরী। জানা যায়, ঐ সদ্য সাবেক কর্মকর্তার বিপুল সম্পত্তি দেখাশোনা ও তার ইচ্ছা পূরণে তটস্থ থাকেন দলীয় মনোনয়ন পাওয়া মাহবুবুর রহমান চৌধুরী। তার নির্দেশে এরই মাঝে খুনিয়াপালং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মাবুদ ও কাউন্সিলর মাহবুবুর রহমান পেঁচার দ্বীপে জোর করে জমিদখলের মত ঘটনা ঘটিয়েছে। তারপরও ঐ সাবেক কর্মকর্তার ইচ্ছায় ও একটি সিন্ডকেটের ইচ্ছায় জামাত অধ্যুষিত সাতকানিয়ার মাহবুবুর রহমানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মাবুবুর রহমানের বাড়ী কক্সবাজারে না হলেও তাকে মনোনয়ন দেওয়ায় ক্ষুদ্ধ হয়েছে পৌরসভার সাধারন জনগন। এ ক্ষেত্রে নির্বাচনে সাধারন জনগন সম্পৃক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নৌকার প্রার্থীর সাথে যেমন কম, ততটাই নির্বাচনে পরাজয় হওয়ার সম্ভাবনাও বেশী। কারন একটি সময় পর তারা দলীয় প্রতীকের চেয়ে আঞ্চলিকতার উপর প্রভাব ভিস্তার করে।

সাধারন পৌরবাসী বিশেষ করে আওয়ামীলীগের একটি বড় অংশ মনে করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সত্য গুপন করে এ মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে অনেকেই আসংখা করে। এছাড়া কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের আমৃত্যু সভাপতি মোজাম্মেল হকের ছেলে মাশেদুল হক রাশেদওেমেয়র পদপ্রার্থী হওয়ায় আওয়ামীলীগের ভোট ভাগ হয়ে যাবে। এতে সুবিধা পাবে বি.এন.পি – জামাত মনোনীত প্রার্থী বলেও মনে করছে অনেকে। সেক্ষেত্রে সর্বজন গ্রহনযোগ্য একজন ব্যক্তিকে পূণরায় মনোনয়ন দিলে অথবা মনোনয়ন তুলে দিয়ে নির্বাচন ওপেন করে দিলে এ ধাক্কা সামলানো যাবে বলে মনে করছেন কক্সবাজারের আওয়ামীলীগের তৃণমূলের কর্মীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি