1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
সোমবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দলের হারে তোমায় কাঁদতেও তো দেখেছি: আনুশকা ষড়যন্ত্রকারীদের রুখে দিতে হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী যৌথ অবকাঠামো ব্যবহার, বাংলালিংক-টেলিটক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর টাঙ্গাইল-৭ আসনের উপ-নির্বাচনে বিজয়ী শুভ শাবিপ্রবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গেমিং অ্যাপ ‘আমার বঙ্গবন্ধু’ বিচারপতি টিএইচ খান আর নেই মানুষের জন্য কাজ করব বলে রাজনীতিতে এসেছি : শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশকে সার্কুলার ইকোনমি মডেল অনুসরণ করতে হবে : শিল্পমন্ত্রী নাসিক নির্বাচনে আইভীর হ্যাটট্রিক জয় করোনায় আরও ৮ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৫,২২২ ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সরকার কাজ করছে : পরিবেশমন্ত্রী ১৫ ফেব্রুয়ারি শুরু বইমেলা ১ সপ্তাহে করোনা শনাক্ত ২২২ শতাংশ বেড়েছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের কথা ভাবছি না : শিক্ষামন্ত্রী

‘কঠোর লকডাউন’ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : সোমবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২১
  • ১০১ বার দেখা হয়েছে

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের সংক্রমণ প্রতিরোধে আরও এক সপ্তাহের জন্য ‘কঠোর লকডাউনের’ সুপারিশ করেছে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

সারাদেশে করোনার উচ্চ সংক্রমণ ও ক্রমবর্ধমান মৃত্যুতে উদ্বেগ জানিয়ে চলমান এক সপ্তাহের লকডাউন শেষ হওয়ার আগে সংক্রমণের হার বিবেচনা করে আবার সিদ্ধান্ত নেয়ার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি।  এছাড়া ধীরে ধীরে লকডাউন শেষ করার পূর্ব পরিকল্পনা তৈরির রাখার পরামর্শও দিয়েছে কমিটি।

সোমবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ১৪ এপ্রিল থেকে লকডাউন চলছে। ২১ এপ্রিল তা শেষ হওয়ার কথা। তার আগেই কমিটি এই পরামর্শ দিল। এদিকে লকডাউন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে আজ সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উদ্যোগে সভা হওয়ার কথা। সেখানে পরিস্থিতি বিবেচনা করে লকডাউন আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হবে কি না সেটা ঠিক হওয়ার কথা ।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে থেকে দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। মার্চের শুরু থেকে সংক্রমণ তীব্র হয়। সংক্রমণ ঠেকাতে ৫ এপ্রিল থেকে প্রথম দফায় সাত দিনের ‘লকডাউন’ শুরু হয়। তবে তার ধারাবাহিকতা চলে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত।

এরপর ১৪ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় দফয় কঠোর লকডাউন দেয় সরকার, যা চলবে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি কমপক্ষে দুই সপ্তাহের জন্য পূর্ণ লকডাউন সুপারিশ করেছিল। সরকার ১৪ এপ্রিল থেকে এক সপ্তাহের লক ডাউন ঘোষণা করায় কমিটি সন্তোষ প্রকাশ করে।

সংবাদ বিজ্ঞপিতে বলা হয়, ‘বৈজ্ঞানিকভাবে দুই সপ্তাহের কম লকডাউনে কার্যকর ফলাফল আশা করা যায় না। দেশের অর্থনীতি সচল রাখার স্বার্থে শিল্প-কলকারখানা খোলা রাখার বিষয়টি কমিটি উপলব্ধি করে। তবে, বেসরকারি দপ্তর, ব্যাংক খোলা রাখা, ক্রমবর্ধমানভাবে ব্যক্তিগত গাড়ি চলাচল, ইফতার বাজারে অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ভিড় লকডাউনের সাফল্যকে অনিশ্চিত করে।

লকডাউনের সময় স্বাস্থ্যসেবা, ফায়ার সার্ভিস ও অন্যান্য জরুরী সেবা ছাড়া সবকিছু বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি। খোলা রাখা যাবে এমন জরুরি সেবার তালিকা প্রকাশ করারও অনুরোধ জানানো হয়েছে কমিটির পক্ষ থেকে।

‘অন্যথায় বিরূপ পরিস্থিতির আশংকা রয়েছে। চলমান লকডাউনে চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের চলাচলে বাধা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটনা ঘটেছে।’ কাঁচা বাজার আবারও উন্মুক্ত স্থানে বসানোর প্রস্তাব দিয়েছে জাতীয় কমিটি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি