1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
টাকা নয়, কাজ দিয়েই মানুষের হৃদয় ও মন জয় করা যায়: আইজিপি আওয়ামী লীগ সবাই করতে পারবে তবে নেতৃত্বে আসবে ত্যাগীরা : তথ্যমন্ত্রী ২৫ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন এডিবির জাতিসংঘে কাশ্মীর বিরোধের সমাধান চাইলেন ইমরান খান বৈশ্বিক মঙ্গলের জন্য কাজ করবে কোয়াড জোট : মোদি করোনায় আরও ২৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮১৮ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ২২১ জন হাসপাতালে ভর্তি বিশ্বনেতারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উন্নয়ন ও নেতৃত্বের গল্প শুনতে চান : তথ্যমন্ত্রী দেশের উন্নয়ন করেছে আওয়ামী লীগ সরকার : পরিকল্পনামন্ত্রী বিশ্ব মানবতার কণ্ঠস্বর জননেত্রী শেখ হাসিনা : পলক ৫জি সেবা চালু হচ্ছে ডিসেম্বরে : টেলিযোগাযোগমন্ত্রী প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নভেম্বরে এসএসসি, ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী আগামী জুনের মধ্যে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন : ওবায়দুল কাদের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ইইউর সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

করোনার কারণে ক্ষতির মুখে ত্রিপুরার লেবু চাষিরা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট : শনিবার, ২২ মে, ২০২১
  • ৩৯ বার দেখা হয়েছে

করোনার কারণে ক্ষতির মুখে ত্রিপুরার লেবু চাষিরাকরোনার কারণে ক্ষতির মুখে ত্রিপুরার লেবু চাষিরা
আগরতলা (ত্রিপুরা): করোনা মহামারীর ফলে বড় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন তেলিয়ামুড়ার লেবু চাষিরা। অন্য সময় যে পরিমাণে লেবুর চাহিদা থাকতো করোনার কারণে গত এক বছর ধরে তার অর্ধেকও নেই বলে জানিয়েছেন চাষিরা।

এই অবস্থায় তারা কি করবেন ভেবে পাচ্ছেন না।
আনারস ও কাঁঠালের মতো ত্রিপুরা রাজ্যের মাটি লেবু চাষের জন্যও বিখ্যাত। পাতি, কাগজি, এলাইচি, গন্ধরাজসহ নানা প্রজাতির লেবুর চাষ হয় ত্রিপুরা রাজ্যে। তবে সবচেয়ে বেশি চাহিদা রয়েছে গন্ধরাজ লেবুর। এই লেবুতে প্রচুর পরিমাণে রস আছে আবার সুগন্ধির জন্যেও এর খ্যাতি রয়েছে। গন্ধরাজ লেবু সবচেয়ে বেশি পরিমাণে চাষ হয় খোয়াই জেলার তেলিয়ামুড়া মহকুমার হাওয়াই বাড়ি, পশ্চিম হাওয়াই বাড়ি, থ্যাংনাইসহ অন্যান্য এলাকায়।

তেলিয়ামুড়া থেকে এই লেবু রাজধানী আগরতলাসহ রাজ্যের প্রায় প্রতিটি প্রান্তে যায়। এমনকি পাইকারের এই লেবু অসমের শিলচারসহ আরও কিছু জায়গায় রপ্তানি করেন বলে জানান তেলিয়ামুড়া এলাকার লেবু চাষি সুভাষ দাস।

তিনি জানান, এই লেবু সারা বছর ধরে চাষ হয়। বর্ষার মৌসুমে প্রচুর পরিমাণে লেবুর উৎপাদন হয়। এই সময় চাষিদের কাছ থেকে পাইকাররা প্রতিটি লেবু এক থেকে দেড় রুপি করে কেনেন। তবে চাষিরা সবচেয়ে বেশি লাভবান হন শীতকালে। তখন লেবুর উৎপাদন পরিমাণে কম হলেও একটি লেবু ১৫ থেকে ২০ রুপি দামে বিক্রি হয় বলেও জানান তিনি।

তবে গত এক বছর ধরে তেলিয়ামুড়ার লেবু চাষিরা আর্থিক ভাবে ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন করোনা মহামারীর কারণে। যে পরিমাণ লেবু উৎপাদিত হচ্ছে সেই পরিমাণে চাহিদা নেই ত্রিপুরাসহ পার্শবর্তী রাজ্যে।

গত বছর করোনা মহামারীর মধ্যেও তেলিয়ামুড়া প্রাইমারি মার্কেটিং কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেড স্থানীয় এলাকার লেবু চাষিদের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যে লেবু কিনে ছিল, ফলে করোনার মধ্যেও কিছুটা সহায়তা হয়েছিল কিন্তু এ বছর কো-অপারেটিভ সোসাইটি লেবু না কেনায় তারা চরম সমস্যায় পড়েছেন বলে জানান সুভাষ।

এমন অবস্থা শুধু মাত্র তারই নয়। তার মতো তেলিয়ামুড়ার শত শত লেবু চাষির একই অবস্থা। রাজ্য সরকার যদি রাজ্যে একটি লেবু প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র চালু করতো তবে তাদের কোনো সমস্যা থাকতো না। পাশাপাশি আরো অনেক মানুষ লেবু চাষে উৎসাহিত হত এবং নতুন করে প্রচুর সংখ্যায় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হতো।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি