1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘ডিসেম্বরের মধ্যেই টীকার লক্ষ্যমাত্রার অন্তত পঞ্চাশ ভাগ পূরণ করা হবে’ ২০২১ সালে সাড়ে ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন: অর্থমন্ত্রী দেশে ফের করোনা বাড়ছে: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কুমিল্লায় ধর্মীয় অবমাননার জেরে অপ্রীতিকর ঘটনা: পুলিশ দেশের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে এত ষড়যন্ত্র : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ১১২ জন হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৬ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৩৬৮ ‘ধর্মকে যারা স্বার্থ হাসিলে ব্যবহার করে, তারাই বিভাজন তৈরি করতে চায়’ সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে সর্বশক্তি দিয়ে রুখে দিতে হবে টিকা নিবন্ধনে বয়সসীমা সর্বনিম্ন ১৮ বছর নির্ধারণ শাহরুখপুত্রের জন্য সালমানের ছবির শুটিং বন্ধ অজয় দেবগনের ছবিতে ‘মানিকে মাগে হিতে’ পীরগঞ্জ হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : স্পিকার যুক্তরাজ্যে করোনার সংক্রমণ ফের বাড়ছে এবার শার্লিন চোপড়ার বিরুদ্ধে রাজ-শিল্পার মামলা

কার্ড ও ভাতার বই পেয়েও নিলীমা’র ভাগ্যে জোটেনি প্রতিবন্ধী ভাতা!

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ২৫৫ বার দেখা হয়েছে

কার্ড ও ভাতার বই পাওয়ার সাড়ে চার বছর পার হলেও ভাতা পাচ্ছেন না সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার প্রতিবন্ধী শিশু নিলীমা আক্তার মিতা (১৩)। ‘পরের সপ্তাহেই দেয়া হবে’ বলে, সাড়ে চার বছর তার অসুস্থ পিতাকে ঘুরিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একাধিক বার যোগাযোগ করায় ‘বই দেয়াই ভুল হয়েছে’ বলে, তাকে তিরস্কারও করেন সমাজ সেবা অফিসের এক কর্মী।
উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের পালের চক গ্রামের, নিলীমার পিতা নুরুল ইসলাম জানান, কৃষি কাজ করে ৭ ছেলে-মেয়ে নিয়ে দিনযাপন করছিলেন তিনি। গত ২-৩ বছর ধরে শারীরিক সমস্যার কারণে জীবিকা নির্বাহে অক্ষম। এ অবস্থায় বড় ছেলের সামান্য আয়ের কোন মতে ঘুরছে সংসারের চাকা। এ অবস্থায় অভাব-অনটনের সংসারে তার ছোট মেয়ে বাকপ্রতিবন্ধী নিলীমাকে নিয়ে বেকায়দায় পড়েন তিনি। মুখে ভাষা না থাকলেও পড়া-লেখায় মনোযোগী হয়ে ওঠা নিলীমা কেবল লিখনি শক্তি দিয়েই গত বছর পাঠশালা উত্তীর্ণ হয়। এ কারণে তার পড়া-লেখা ও চিকিৎসা ব্যয় নির্বাহে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগীতায় প্রতিবন্ধীদের তালিকায় নিলীমার নাম লিপিবদ্ধ করেন তিনি। ২০১৬ সালের ৩০ জুন তার নামে ইস্যু করা হয় প্রতিবন্ধী কার্ডও। দেয়া হয় ভাতার বই। এর পর অদ্যাবধি কোন সরকারি সাহায্য-সহযোগীতা পায়নি সে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে, মিথ্যে আশ্বাস দিয়ে সমাজসেবা অফিসের লোকজন আমাকে সাড়ে চার বছর হয়রানি করেছেন। অফিসের ইউনিয়ন সমাজকর্মী সুনীল কুমার বৈদ্য ‘তোমাদের বই দেয়াই ভুল হয়েছে’ বলে আমাকে তিরস্কার করেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে সুনীল কুমার বৈদ্য বলেন, বরাদ্দ না থাকায় সে ভাতা পাচ্ছে না।উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জুবায়ের আহমদ বলেন, তথ্যগত সমস্যার কারণে কিছু ভাতায় সমসম্যার তৈরী হয়েছে। তবে, এ (নিলীমার) ভাতাটি কেন পাচ্ছেনা তা আমি দেখছি।
এ বিষয়ে কথা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্ণালী পাল ‘বাংলাদেশ প্রতিদিন’কে বলেন, অভিযোগ পেলে বিষয়টি আমি তদন্ত করে দেখবো।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি