1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
  3. [email protected] : lalashimul :
বৃহস্পতিবার, ২২ এপ্রিল ২০২১, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ফের ‘শিশুবক্তা’ রফিকুল ইসলাম মাদানী ৭ দিনের রিমান্ডে শেষ কার্যদিবসে সূচকের মিশ্র প্রবণতায় চলছে লেনদেন শ্রমিক হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ও খাদ্যের দাবিতে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের বিক্ষোভ যারা এতিমদের পুঁজি করে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করেন তারা অবশ্যই পাপী : মনোরঞ্জন শীল গোপাল নিজগৃহে “পরবাসী” দৃষ্টিপ্রতিবন্দী শান্ত  বাঁশখালীতে নিহত শ্রমিকদের পরিবারকে ৩ কোটি টাকা করে দিতে রিট প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে প্রস্তুতি নেবেন যেভাবে প্রতিষ্ঠানের নামে সঞ্চয়পত্র বিক্রি করতে পারবে না ব্যাংক-পোস্ট অফিস করোনা রোগী বাড়লে আর সামাল দেওয়া সম্ভব হবে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৬ মেয়ের দায়িত্ব কাঁধে, তাই সাইকেল চালিয়ে দুধ বিক্রি করেন এই ৬২ বছরের বৃদ্ধ মহিলা

খেলাপি ঋণের পরিমান তিন লাখ ৩৫ কোটি টাকা

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩৮ বার দেখা হয়েছে

বর্তমানে (অক্টোবর ২০২০ পর্যন্ত) দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণগ্রহীতা তিন লাখ ৩৪ হাজার ৯৮২ জন। সোমবার (২৫ জানুয়ারি) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য অসীম কুমার উকিলের প্রশ্নের জবাবে অর্থ মন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল এ তথ্য জানান।

জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারির প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, ২০২০-২১ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্র তিন লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত আদায় হয়েছে এক লাখ ৮ হাজার ৪৭১ কোটি ৭১ লাখ টাকা। লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অর্জন ৩২.৮৭ শতাংশ।

মামুনুর রশীদ কিরণের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, করোনার টিকা কেনার জন্য এ পর্যন্ত এক হাজার ৪৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এ কে এম রহমতুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশ থেকে অবমূল্যায়ন বা অতিমূল্যায়নের মাধ্যমে অর্থপাচারের কিছু অভিযোগ পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এটি খতিয়ে দেখছে। যেসব ক্ষেত্রে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। সেসব ক্ষেত্রে আইনানুগ ব্যবস্থা চলমান রয়েছে।

অর্থপাচার বন্ধে সরকারের নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপের ফলে বৈদেশিক মুদ্রা বা অর্থপাচার অনেকাংশে কমে যাবে।

চার মোবাইল অপারেটরের কাছে সরকার পাবে ১৩ হাজার কোটি টাকার বেশি। দেশের চারটি মোবাইল অপারেটরের কাছে বিটিআরসির (বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটারি কমিশন) বকেয়া ১৩ হাজার ২২ কোটি ৩৮ লাখ ৬৫ হাজার ৯৩৪ টাকা। অপারেটরগুলো হলো গ্রামীণফোন, রবি, সিটিসেল (বর্তমানে বন্ধ) এবং রাষ্ট্রয়াত্ত টেলিটক। এদের মধ্যে গ্রামীণফোন ও রবির কাছে বকেয়া অডিট আপত্তি সংক্রান্ত। আর সিটিসেলের বকেয়া উচ্চ আদালত নির্ধারিত ও টেলিটকের কাছে পাবে ৩জি তরঙ্গ বরাদ্দ বাবদ।

শহীদুজ্জমান সরকারের প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার এ তথ্য জানান।

মন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী গ্রামীণফোনের অডিট আপত্তির ১২ হাজার ৫৮৯ কোটি ৯৮ লাখ ৭৬ হাজার ১৪৯ টাকার মধ্যে দুই হাজার কোটি টাকা দিয়েছে। তাদের কাছে বকেয়া রয়েছে ১০ হাজার ৫৭৯ কোটি ৯৪ লাখ ৭৬ হাজার ১৩৫ টাকা। রবি ৮৬৭ কোটি ২৩ লাখ ৯১ হাজার ৪৭৬ টাকার মধ্যে ১৩৮ কোটি টাকা দিয়েছে। বকেয়া আছে ৭২৯ কোটি ২৩ লাখ ৯১ হাজার ৪৭৬ টাকা। সিটিসেলের কাছে বাকেয়া ১২৮ কোটি ৬ লাখ ৯৮ হাজার ৩২৩ টাকা এবং টেলিটকের কাছে বকেয়া এক হাজার ৫৮৫ কোটি ১৩ লাখ টাকা। টাকা আদায় নিয়ে টেলিটক বাদে তিনটি অপরাটরের সঙ্গে মামলা চলমান আছে। টেলিটকের টাকা চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেওয়া হলেও কোনও সাড়া মেলেনি।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি