1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ১০:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ

চাঁদপুরে ভাবিকে হত্যার দায়ে দেবরের যাবজ্জীবন

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ২২৩ বার দেখা হয়েছে

চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামে চাকরির জন্য বিদেশ পাঠানোকে কেন্দ্র করে বড় ভাইয়ের স্ত্রী শারমীন আক্তারকে (২১) ছুরিকাঘাত করে হত্যার দায়ে দেবর ইয়াছিন মিজিকে (২২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।
রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চাঁদপুর জেলা ও দায়রা জজ এসএম জিয়াউর রহমান এ রায় দেন।
যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামি ইয়াছিন সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর (মমিনপুর) গ্রামের মিজি বাড়ির আবদুর রহিম মাওলানার ছেলে।
হত্যার শিকার শারমীন আক্তার আসামির বড় ভাই ইউসুফ মিজির স্ত্রী এবং ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর কেরোয়া পাটওয়ারী বাড়ির তাজুল ইসলাম পাটওয়ারী মেয়ে।

মামলার বিবরণে থেকে জানা যায়, শারমিন আক্তার ও ইউসুফের সঙ্গে ২০১৫ সালে বিয়ে হয়। ইউসুফ সৌদি প্রবাসী। বিয়ের পরে বিদেশে চলে যান। এরপরে ইউসুফের ছোট ভাই আসামি ইয়াছিন তাকে বিদেশে পাঠানোর জন্য ভাই-ভাবিকে চাপ প্রয়োগ করেন। দীর্ঘদিন তাকে বিদেশে না পাঠানোর কারণে ভাবিকে সন্দেহ করেন। ভাবির কারণেই তাকে বিদেশে পাঠানো হচ্ছে না। ২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ইয়াছিন তার বড় ভাইয়ের অনপুস্থিতিতে কথা কাটাকাটির এক পর্যায় হাতে থাকা ছুরি দিয়ে ভাবি শারমিনকে উপর্যপুরি ছুরিকাঘাত করলে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। খবর পেয়ে তার ভাই ঘটনাস্থল থেকে শারমিনকে উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

খবর সংবাদ পেয়ে শারমিনের পিতা তাজুল ইসলাম পাটওয়ারী হাসপাতালে ছুটে আসেন এবং মেয়ের মেয়ের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরদিন ৬ সেপ্টেম্বর তাজুল ইসলাম বাদী হয়ে ইয়াছিন মিজিকে আসামি করে চাঁদপুর মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীকালে পুলিশ আসামি ইয়াছিনকে গ্রেফতার করেন।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার তৎকালীন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মফিজুল ইসলাম তদন্ত শেষে ওই বছর ৩০ নভেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মোক্তার আহমেদ অভি বলেন, তিন বছরের অধিক সময় মামলাটি চলমান অবস্থায় ১৮ জন স্বাক্ষীর মধ্যে আসামির বাবা-মা ও বোনসহ ১৬ জনের সাক্ষ্য নেন। সাক্ষ্য প্রমাণ ও মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে আসামি ইয়াছিনের উপস্থিতিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মাসুম ভুঁইয়া ও সফিকুল ইসলাম ভুঁইয়া।
মামলার বাদী তাজুল ইসলাম পাটওয়ারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমি আমার মেয়ে হত্যার সঠিক বিচার পাইনি। আমি ন্যয় বিচারের জন্য উচ্চ আদালতে যাব।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি