1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
পরিবেশ রক্ষায় ঐক্য পৃথিবীকে বাঁচাবে: ড. হাছান মাহমুদ বাংলাদেশি সিনেমা থেকে বাদ পড়লো সানি লিওনের আইটেম গান হাঁটুর হাড়ে ক্ষত: আরও অপেক্ষায় থাকতে হবে মেসিকে টেড্রোসকে ডব্লিউএইচও প্রধান হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে সমর্থন বিসিবি নির্বাচনে মনোনয়ন তুললেন পাইলট ‘বিয়ে ছাড়াও মানুষের জীবনে আরো অনেক কিছু আছে’ এবার দীঘির নায়ক বনি সেনগুপ্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসছে আরো ২৫ লাখ টিকা সিআরবি নিয়ে তথ্যগত ভুল হচ্ছে কিনা সেটি খতিয়ে দেখা দরকার : রেলমন্ত্রী অসাংবিধানিক সরকার আনতে জল ঘোলা করছে বিএনপি-জামায়াত: ইনু শনিবার থেকে শাহজালাল বিমানবন্দরে কোভিড পরীক্ষা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৮৯ জন হাসপাতালে ভর্তি করোনায় আরও ৩১ মৃত্যু, শনাক্ত ১,২৩৩ স্কুলে এসে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি: শিক্ষা উপমন্ত্রী বিএনপির লক্ষ্য নিজেদের পকেটের উন্নয়ন: কাদের

চালু হলো দেশের সবচেয়ে বড় ‘করোনা হাসপাতাল’

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট : রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ২২৯ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর মহাখালীতে চালু হলো দেশের সবচেয়ে বড় করোনা হাসপাতাল ‘ডিএনসিসি ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল’। রবিবার দুপুর ১২ টার দিকে হাসপাতালটি উদ্বোধন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

১০০০ বেডের এই হাসপাতালের নাম দেয়া হয়েছে ‘ডিএনসিসি ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল’।  এখানে ১০০ শয্যার আইসিইউ এবং ১১২টি এইচডিইউ স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া রোগীদের জন্য সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থাও রয়েছে। এই হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা দিতে ৫০০ চিকিৎসক, ৭০০ নার্স, ৭০০ স্টাফ এবং ওষুধ, সরঞ্জামের ব্যবস্থা করছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।  হাসপাতালটি পরিচালনা করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

রোগীরা যেভাবে ভর্তি ও সেবা নেবে

হাসপাতালটি চালুর পর রোগীরা কীভাবে ভর্তি হবে সে বিষয়টি জানিয়ে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসির উদ্দিন বলেন, কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছেন বা উপসর্গ আছে- এমন রোগীদের এখানে চিকিৎসা দেওয়া হবে। তারা প্রথমে আমাদের ট্রায়াজে প্রবেশ করবেন। সেখানে দুটি জোন আছে। যাদের মৃদু উপসর্গ আছে বা হেঁটেই আসতে পারছে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য তাদের যদি ভর্তি প্রয়োজন না হয় তবে ভর্তি করা হবে না। সেক্ষেত্রে অবশ্যই তাকে প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়া হবে। পরে এসে তিনি আবার রিপোর্ট করতে পারবেন।

ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থাপনা

ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থাপনা থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, যারা করোনা সংক্রমিত হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আসবে তারা ট্রায়াজ-২ এ চলে যাবে। সেখানে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা আছে। ছয় বেডের একটা আইসিইউ সেটাপ থাকবে নিচ তলাতেই। সেখানে ভেন্টিলেটরের সুযোগও থাকছে। আর তাই ইমার্জেন্সি ওয়ার্ডেই ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের স্ট্যাবল হওয়ার সুযোগ আছে। সেখানে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে পাঠিয়ে দেওয়া হবে দ্বিতীয় তলার ওয়ার্ডে। সেখানে যদি কারও অবস্থা খারাপ হয় তবে তাকে আমরা পাঠিয়ে দেবো আইসিইউ বা এইচডিইউতে। আর যদি একটু স্ট্যাবল হয় বা ঝুঁকির মাত্রা কমে আসে তবে আমরা তাদের কেবিনে দিয়ে দেবো। এই কেবিনগুলোতে সেন্ট্রাল অক্সিজেনসহ হাই-ফ্লো নজেল ক্যানোলা সুবিধা থাকবে। এক্ষেত্রে মনিটরের ব্যবস্থাও করা হবে খুব দ্রুত। ওখানে তারা কিছুটা স্ট্যাবল হলে তাদের ধীরে ধীরে ডিসচার্জ হওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এটাই আমাদের আপাতত স্টেপ-১ ও স্টেপ-২ পরিকল্পনা।

হাসপাতালের নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন

হাসপাতালটির পরিচালক আরও বলেন, এটা আসলে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন হাসপাতাল হতে যাচ্ছে। এখানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মড ফোর্সেস ডিভিশন কাজ করে যাচ্ছে। আমিও কিন্তু আর্মড ফোর্সেস ডিভিশনের পক্ষেই এখানে কাজ করছি। আমাদের জনবল, আর্থিক সহায়তা, ওষুধসহ বিভিন্ন কিছু দিয়ে সর্বাত্মক সহায়তা দিচ্ছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। আর্মড ফোর্সেস থেকেও চিকিৎসক, নার্সসহ কিছু থাকছে। ডিএনসিসি তাদের জায়গা দিয়েছে এবং একই সঙ্গে অন্যান্য কিছু সাপোর্ট দিয়ে আমাদের সাহায্য করে যাচ্ছে। মূলত এই তিনটি প্রতিষ্ঠান মিলেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, এই হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দিতে ৫০০ চিকিৎসক, ৭০০ নার্স, ৭০০ স্টাফ এবং ওষুধ, সরঞ্জামের ব্যবস্থা করছে মন্ত্রণালয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি