1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
  3. [email protected] : lalashimul :
বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০২:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
এক সপ্তাহ পেছাল গণটিকা কার্যক্রম শুক্রবার থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে চলবে বিমান যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে টিকা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা ১১ আগস্ট থেকে চলবে ট্রেন, টিকিট অনলাইনে বিভাগীয় রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক প্রতিনিধি সদস্য পদে মনোয়নে অনিয়ম দূর্নীতি ।। দাবানলে পুড়ছে গ্রিস ভারতীয় পেসে ১৮৩ রানেই গুটিয়ে গেল ইংল্যান্ড আজ ব্যাংক খোলা, লেনদেন আড়াইটা পর্যন্ত গণটিকা সফল করতে নেতাকর্মীদের ক্যাম্পেইনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার সক্ষমতা আছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর সীমিত পরিসরে ভারতে ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্যসহ আটক পরীমনি রেমিটেন্স পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে: অর্থমন্ত্রী অজিদের গুঁড়িয়ে দিয়ে দাপুটে জয় টাইগারদের বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়ার জড়িত থাকা স্পষ্ট: তথ্যমন্ত্রী

দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের তাগিদ দিলো টিআইবি

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ২২২ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিদেশে ঘুষ লেনদেনের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য সহযোগীদের মধ্যে শীর্ষস্থানীয় দেশসগুলোর অব্যাহত ও হতাশাজনক ব্যর্থতায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

মঙ্গলবার প্রকাশিত ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) গবেষণা প্রতিবেদন ‘দুর্নীতি রপ্তানি’র তথ্য উল্লেখ করে, উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে থাকা অর্থপাচারসহ নানা ধরণের ঝুঁকির বিষয়ে সরকারকে সতর্ক থাকার তাগিদ জানিয়েছে টিআইবি।

পাশাপাশি বৈদেশিক বাণিজ্য সহযোগী রাষ্ট্রগুলোকে তাদের আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার, নিজস্ব আইন ও তার প্রয়োগ শক্তিশালী করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘এটি খুবই হতাশাজনক যে, বিশ্বের শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশগুলো বিদেশে ঘুষ লেনদেন বন্ধের বিষয়ে তাদের আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি পালনে আশঙ্কাজনকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। এ ব্যর্থ দেশগুলোর তালিকায় সবচেয়ে দুর্বল অবস্থানে থাকা চীন, জাপান, ভারত, হংকং, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুরসহ নেদারল্যান্ড, কানাডা ও মেক্সিকোর মতো দেশগুলোর অনেকেই ফের বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগী। তাই বৈদেশিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতিবিরোধী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা সরকার, বৈদেশিক বাণিজ্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো এবং অন্যান্য সব অংশীজনদের সতর্ক করছি।

অন্যদিকে, যেসব দেশ জাতিসংঘের দুর্নীতিবিরোধী কনভেনশন এবং ওইসিডির ঘুষবিরোধী কনভেনশন অনুযায়ী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তাদের কূটনৈতিক মিশন ও অন্যান্য প্রতিনিধিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমরা বৈদেশিক ঘুষ লেনদেনের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈদেশিক ঘুষ লেনদেনের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগের বিষয়ে জি-২০ এর অন্তর্ভূক্ত দেশগুলোর অর্ধেকই আশঙ্কাজনকভাবে দুর্বল অবস্থানে রয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, বিশ্বের শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে খুব স্বল্পসংখ্যকই বিদেশে ঘুষ লেনদেনকারী কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর তদন্ত এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে।

জার্মানির রাজধানী বার্লিনে অবিস্থিত টিআই সচিবালয় পরিচালিত দ্বিবার্ষিক ‘দুর্নীতি রপ্তানি ২০২০: ওইসিডি ঘুষবিরোধী কনভেনশন প্রয়োগের মূল্যায়ন’ শীর্ষক গবেষণায় দেখা যায়, ২০১৮ সালের পর থেকে বৈদেশিক ঘুষ লেনদেনের বিরুদ্ধে সক্রিয় আইন প্রয়োগের উদহারণ আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে। এসময়কালে বৈদেশিক ঘুষ এবং এরসঙ্গে সম্পৃক্ত অর্থপাচারের বিরুদ্ধে কঠোর ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশের সংখ্যা এক তৃতীয়াংশেরও বেশি কমেছে। গবেষণায় অর্ন্তভূক্ত ৪৭টি দেশের মধ্যে বিশ্বের রপ্তানি বাণিজ্যের ১৬ দশমিক ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করা মাত্র ৪টি দেশ বৈদেশিক ঘুষ লেনদেনের বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে আইন প্রয়োগ করেছে। অথচ ২০১৮ সালে এমন দেশের সংখ্যা ছিলো ৭টি, যারা মোট বৈশ্বিক রপ্তানি বাণিজ্যের ২৭ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করতো। বাস্তবিকভাবে ৪৭টি দেশের মধ্যে ৩৪টি দেশ কার্যত এ সংক্রান্ত আইনের কোনো প্রয়োগই করেনি।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক দেশ চীন ২০১৬ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে বৈদেশিক ঘুষ লেনদেনের বিরুদ্ধে একটি তদন্তও শুরু করতে পারেনি। অথচ চীনা কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে বেশকিছু কেলেঙ্কারির অভিযোগ রয়েছে এবং অনেক দেশই তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে। ২০১৬ থেকে ২০১৯ সময়কালে ওইসিডি বহির্ভূত। কিন্তু রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ আরও দু’টি দেশ ভারত ও হংকং বৈদেশিক ঘুষ লেনদেনের বিরুদ্ধে একটিও তদন্ত করেনি। গত চার বছরে সিঙ্গাপুর মাত্র একটি ঘটনায় তদন্ত করেছে এবং একটি মামলায় শাস্তি নিশ্চিত করতে পেরেছে।

‘প্রতিবেদনটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্র্ণ’ এ কথা উল্লেখ করে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘আমরা এমনিতেই সর্বব্যাপী দুর্নীতির চক্রে আষ্টেপৃষ্ঠে আবদ্ধ। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিদেশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্নীতিপ্রবণ চর্চা পরিস্থিতিকে আরও প্রকট করে তুলবে। বিশেষ করে যখন বাংলাদেশের জন্য বৈদেশিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আকর্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সরকার ও অন্যান্য অংশীজনদের জন্য যেকোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠান/সংস্থার সঙ্গে সবধরণের ব্যবসা ও বিনিয়োগ কার্যক্রমে দুর্নীতিবিরোধী চর্চাগুলোকে জোরালোভাবে মূলধারাভূক্ত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি