1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দুই বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেবে চীন জলাবদ্ধতা নিরসনে মেয়র তাপসের সফলতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে কারা? সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পরিকল্পিতভাবে কাজ করায় দেশের অর্থনীতি এখন শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী বাজারে কাঁচা মরিচের ‘ঝাল’ বেড়েই চলছে ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে: এফবিআই রোববার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা  একাদশে ভর্তি: শেষধাপেও কলেজ পাননি ১২ হাজার শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি ও ওবায়দুল কাদেরকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে সড়কের প্রকৌশলী শাহজাদার সংঘবদ্ধ দূর্নীতির সিদ্ধান্ত

দুর্ভোগের শেষ নেই কান্দুলী আশ্রয়ণবাসীদের

আরএম সেলিম শাহী
  • আপডেট : শনিবার, ১৩ মার্চ, ২০২১
  • ৩৯০ বার দেখা হয়েছে

শেরপুর প্রতিনিধি : শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার কান্দুলী আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর গুলো বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সংস্কার সম্প্রসারণের অভাবে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বসবাসকারীদের। জানা গেছে ১৯৯৯ সালে উপজেলার ধানশাইল ইউনিয়নের কান্দুলী গ্রামে এ আশ্রয়ণ প্রকল্পেটি নির্মাণ করা হয়। সাড়ে সাত একর সরকারি খাস জমির উপর একটি পুকুর সহ ৬টি ঘর নির্মাণ করা হয়। ওই ৬ টি ঘরে ৬০ টি কক্ষ রয়েছে। প্রতিটি কক্ষে একটি করে ছিন্নমূল ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়। বর্তমানে এখানে ছোট-বড় নারী-পুরুষ শিশুসহ প্রায় দুই শতাধিক লোকের বাস। আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা খলিলুর রহমান, ইউনুস আলী, মহির উদ্দিন, শাহ আলম বলেন প্রকল্পটির নির্মাণের পর কেউ আর তাদের খোঁজ-খবর নেয়নি। সবাই দিনমজুরি করে পরিবারের সদস্যদের জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। ফলে ঘরগুলো সংস্কার করতে পারেনি আশ্রয়নের বাসিন্দারা। ধানশাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জানান, আশ্রয়ের ঘরগুলো ভেঙে বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলে নির্ঘুম রাত কাটাতে হয় আশ্রয়নের বাসিন্দাদের। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায় মেঝেগুলো। নলকূপ গুলো অকেজো হয়ে পড়ে থাকায় এখানে রয়েছে বিশুদ্ধ পানির অভাব। প্রকল্পের ভিতর অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ বিরাজ করছে। প্রকল্পের ঘরগুলো সংস্কারের জন্য আবেদন নিবেদন করেছেন। কিন্তু কোনো সমাধান হয়নি। ঘরগুলো সংস্কারের অভাবে অতি কষ্টে দিনাতিপাত করছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুবেল মাহমুদ  ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সরকারিভাবে কিছু  বরাদ্দ পাওয়া গেছে। তা থেকে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া সংস্কারের বিষয়ে যে পরিমাণে বরাদ্দ পাওয়া গেছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি