1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের জায়গা দখলে নিচ্ছে ওমিক্রন করোনায় আরও ১৪ মৃত্যু, শনাক্ত ১০,৯০৬ তামিমের সঙ্গে সামনাসামনি কথা বলতে চাই: সুজন সূচকের সঙ্গে কমেছে লেনদেন ‘অবৈধ দখলদারদের সিটি করপোরেশন নোটিশ দেবে না’ যতটা ভয় পাচ্ছি, ততটা ভয়াবহ কিছু হবে না: অর্থমন্ত্রী করোনার টিকাদান সোয়া ১৫ কোটি ছাড়িয়েছে রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ফের আলোচনায় বসছেন শিক্ষার্থীরা ইসি নিয়োগ বিল সংসদে উত্থাপন ভারতে ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৩ লাখ ৩৩ হাজার, মৃত্যু ৫২৫ সংসদের মুলতবি বৈঠক শুরু ১০১ টাকা কাবিনে বিয়ে হলো রাজ-পরীর রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৫৪ হোল্ডারের ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে ক্যারিবীয়দের দাপুটে জয়

পিপিই উৎপাদনে অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৭৮ বার দেখা হয়েছে

করোনা প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) ও চিকিৎসাসামগ্রী উৎপাদনে বিনিয়োগ সহায়তা মিলছে। এ জন্য একটি প্রকল্প দাঁড় করিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, যাতে অর্থায়ন করছে বিশ্বব্যাংক। প্রকল্পটির নাম ‘এক্সপোর্ট কম্পিটিটিভনেস ফর জব (ইসিফোরজে)’।

প্রকল্পের আওতায় গড়ে তোলা হয়েছে কোভিড-১৯ এন্টারপ্রাইজ রেসপন্ড ফান্ড (সিইআরএফ)। এর মাধ্যমেই অনুদান আকারে বিনিয়োগ সহায়তা দেওয়া হবে উদ্যোক্তাদের। আজ রোববার থেকেই আবেদন করা যাচ্ছে। অনুদান পাওয়া যাবে ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ মার্কিন ডলার পর্যন্ত।

আজ আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রকল্পের কার্যক্রম প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়ান টিমবন, বাণিজ্যসচিব মো. জাফর উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও ইসিফোরজে প্রকল্পের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি সরকারের সামনে বড় একটি চ্যালেঞ্জ। কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধির চ্যালেঞ্জ তো আছেই। উভয় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এ প্রকল্প ভূমিকা রাখবে।

উদ্যোগটির বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন প্রকল্পের এক্সপোর্ট রেডিনেস ফান্ড (ইআরএফ) কর্মসূচির দলনেতা ডেভ রাঙ্গানাইকালু। এতে বলা হয়, এ কর্মসূচির জন্য অনুদানের পরিমাণ হবে ৭৫ লাখ মার্কিন ডলার। প্রতিটি উদ্যোগে অনুদানের পরিমাণ হবে সর্বোচ্চ ৫ লাখ মার্কিন ডলার এবং সর্বনিম্ন ৫০ হাজার ডলার। এ কার্যক্রম চলবে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, যেসব প্রতিষ্ঠান পিপিই পণ্য উৎপাদন করে স্থানীয় বাজার ও রপ্তানির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের জন্য এ অনুদান। দেশীয় ও বৈদেশিক প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে কোনো উদ্যোক্তা যদি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিযোগিতা করে বৈচিত্র্যপূর্ণ পিপিই সামগ্রী উৎপাদন করতে সক্ষম হন, তাঁরাই এ অনুদানের জন্য বিবেচিত হবেন।

অনুদান আবেদনকারী ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিভুক্ত হলে এ প্রকল্প থেকে ৬০ শতাংশ অনুদান পাবেন আর আবেদনকারীর অংশগ্রহণ থাকবে ৪০ শতাংশ। এ ছাড়া বৃহৎ শিল্পের ক্ষেত্রে অনুদানের পরিমাণ হবে ৫০ শতাংশ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি