1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ০১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে ৭ জনের মৃত্যু ঘূর্ণিঝড় রেমাল : সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল ঘূর্ণিঝড় রেমাল: ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘোষণা এমপি আনার হত্যা: কলকাতায় ডিবি প্রতিনিধিদল মধ্যরাতে মহাবিপৎ সংকেত জারি হতে পারে: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী বেনজীর, আজিজ, আনোয়ারুলের অপরাধের দায় নেবে না আওয়ামী লীগ মানুষের কল্যাণে কাজ করা, এটাই আমাদের লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী রিমান্ডে রহস্যময় সব নাম, রাজনীতিবিদ থেকে প্রভাবশালী, বাদ যাচ্ছেন না যেন কেউই বিকেলের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে,আঘাত হানতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে বঙ্গবাজার মার্কেটসহ ৪ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বেসরকারি অফিসের কর্মঘণ্টাও কমাতে পারে, মত মন্ত্রীর

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০২২
  • ৯৪ বার দেখা হয়েছে

নতুন সময়সূচিতে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মতো বেসরকারি অফিসের কর্মঘণ্টা কমাতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

বুধবার (২৪ আগস্ট) থেকে সকাল ৮টায় সরকারি অফিস শুরুর দিন সকালেই সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

বেসরকারি অফিসের বিষয়ে সরকার কিছু ভাবছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, বেসরকারি অফিসের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলা না হলেও আমার মনে হয় সরকারি অফিস যদি আগে বন্ধ হয়, ব্যাংক আগে বন্ধ হয়, স্বাভাবিকভাবে তারাও কর্মঘণ্টা কমাতে পারে। এটা নিয়ে পরবর্তীতে সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত হতে পারে। যতো বেশি বিদ্যুৎ, জ্বালানি সাশ্রয় করতে পারি তাহলে উৎপাদনে মূল্য কম পড়বে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সময় কমিয়ে নতুন নিয়মে অফিস শুরু হলেও সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন প্রভাব পড়বে না বলেও মনে করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

অফিসের সময়সূচিতে পরিবর্তন এসেছে, সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন প্রভাব পড়বে কিনা? জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেবা দেওয়ায় কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে না। আমি খবর নিয়েছি, সব কর্মকর্তারা সঠিক সময়ে অফিসে এসেছেন। যেসব সেবা দেওয়া প্রয়োজন তা এই নতুন সময়সূচিতেই দেওয়া সম্ভব।

তিনি বলেন, আমাদের কৃষিক্ষেত্রের চাহিদার প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ সরবরাহ খুব দরকার। আমাদের ফসল উৎপাদন করতে হবে। সারা পৃথিবী ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ এবং বৈশ্বিক যে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে সেজন্য খাদ্য দ্রব্যের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে। জ্বালানির ওপরও মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে এখন থেকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয় তাহলে আমরা অন্য যে দেশগুলো যে সমস্যায় পড়ছে সেখান থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। খাদ্যশস্য উৎপাদনে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, অপচয় কখনই সমর্থনযোগ্য নয়। অপচয় করলে চাপ সৃষ্টি করবে। জাতীয় অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করবে। আমরা অপচয় বন্ধ করতে পারলে ভালো। নতুন সমময়সূচি কতেদিন অবব্যাহত থাকবে সেটি নিয়ে টাইমফ্রেম ঠিক হয়নি। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের যতোগুলো সুযোগ নেওয়া উচিত সবগুলোই নেওয়া উচিত। ইউরোপসহ যেসব দেশে অন্যান্য দেশে শপিংমল ৬টার মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়। এশিয়াতেও কোন কোন জায়গায় ৬টা বা ৮টায় বন্ধ করে দেয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি