1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ০১:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে ৭ জনের মৃত্যু ঘূর্ণিঝড় রেমাল : সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল ঘূর্ণিঝড় রেমাল: ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘোষণা এমপি আনার হত্যা: কলকাতায় ডিবি প্রতিনিধিদল মধ্যরাতে মহাবিপৎ সংকেত জারি হতে পারে: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী বেনজীর, আজিজ, আনোয়ারুলের অপরাধের দায় নেবে না আওয়ামী লীগ মানুষের কল্যাণে কাজ করা, এটাই আমাদের লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী রিমান্ডে রহস্যময় সব নাম, রাজনীতিবিদ থেকে প্রভাবশালী, বাদ যাচ্ছেন না যেন কেউই বিকেলের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে,আঘাত হানতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে বঙ্গবাজার মার্কেটসহ ৪ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

বৈশ্বিক বিনিয়োগ কমেছে ৪২ শতাংশ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩৩৪ বার দেখা হয়েছে

অনুমিতই ছিল ব্যাপারটা। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা আঙ্কটাড জানাল, মহামারির প্রভাবে ২০২০ সালে বৈশ্বিক প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) ৪২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। জানানো হয়েছে, ২০১৯ সালে বৈশ্বিক এফডিআই ছিল দেড় লাখ কোটি ডলার। ২০২০ সালে তা ৮৫ হাজার কোটি ডলারে নেমে এসেছে।

৯০-এর দশকের পর এই প্রথম বৈশ্বিক এফডিআই এতটা হ্রাস পেল। ২০০৭-০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পর যে এফডিআই প্রবাহ দেখা গেছে, ১৯৯০-এর দশকে তা ছিল অন্তত ৩০ শতাংশ কম।

এদিকে কোভিডের টিকাদান শুরু হয়েছে। বিশ্ব ব্যাংক ও আইএমএফের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, ২০২১ সালে বৈশ্বিক অর্থনীতি অনেকটাই ঘুরে দাঁড়াবে, যদিও সবকিছু নির্ভর করছে টিকাদান কর্মসূচির ওপর। ঠিক এ কারণেই আঙ্কটাড মনে করছে, মহামারিজনিত অনিশ্চয়তার কারণে চলতি বছরেও এফডিআই প্রবাহ তেমন একটা বাড়বে না। ২০২০ সালের বৈশ্বিক বিনিয়োগ প্রতিবেদনে তারা জানিয়েছিল, ২০২১ সালেও এফডিআই ৫-৭ শতাংশ হ্রাস পাবে।

আঙ্কটাডের বিনিয়োগ বিভাগের পরিচালক জেমস ঝান বলেছেন, বিনিয়োগের ওপর মহামারির প্রভাব দীর্ঘায়িত হবে। নতুন খাতে বিনিয়োগের ব্যাপারে বিনিয়োগকারীরা সতর্ক থাকবেন।

এবারের মহামারিতে ছোট দেশগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আঙ্কটাডের ইনভেস্টমেন্ট ট্রেন্ডস মনিটর শীর্ষক প্রতিবেদনে জানা যায়, উন্নত দেশগুলোয় এফডিআই হ্রাসের হার সবচেয়ে বেশি, ৬৯ শতাংশ। ২০২০ সালে এসব দেশে সম্মিলিত এফডিআইয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ৯০০ কোটি ডলার।

আঞ্চলিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, উত্তর আমেরিকায় এফডিআই প্রবাহ হ্রাস পেয়েছে ৪৬ শতাংশ। আন্তর্দেশীয় একীভূতকরণ এবং অধিগ্রহণের হার কমেছে ৫৩ শতাংশ। গ্রিনফিল্ড বিনিয়োগের পরিমাণ কমেছে ২৯ শতাংশ এবং প্রকল্প অর্থায়নের পরিমাণ কমেছে ২ শতাংশ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এফডিআই কমেছে ৪৯ শতাংশ। খুচরা বিক্রি, আর্থিক খাত, উৎপাদন সবখানেই কমেছে বিনিয়োগ প্রবাহ।

আটলান্টিক মহাসাগরের অপর পার ইউরোপেও এফডিআই প্রবাহ আক্ষরিকভাবে শুকিয়ে গেছে। দুই-তৃতীয়াংশ পরিমাণ বিনিয়োগ হ্রাস পেয়েছে সেখানে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্যে এফডিআই শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। অর্থাৎ ২০২০ সালে যুক্তরাজ্যে এক টাকাও বিদেশি বিনিয়োগ আসেনি। অন্যান্য বড় ইউরোপীয় দেশেও বিনিয়োগ হ্রাস পেয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে আঙ্কটাড মনে করছে, ২০২১ সালে বৈশ্বিক এফডিআই প্রবাহ বৃদ্ধি পেলেও নতুন বিনিয়োগের জেরে তা হবে না, হবে আন্তদেশীয় একীভূতকরণ ও অধিগ্রহণের জেরে, বিশেষ করে প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, উন্নত দেশগুলোর তুলনায় উন্নয়নশীল দেশগুলোয় গত বছর এফডিআই প্রবাহ বেশি ছিল। বস্তুত, এখন বৈশ্বিক জিডিপির ৭০ শতাংশই যাচ্ছে উন্নয়নশীল দেশগুলোয়। উন্নত দেশগুলোয় যেখানে বিনিয়োগ কমেছে ৪৬ শতাংশ, সেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলোয় কমেছে ১২ শতাংশ।

এর মধ্যে ২০২০ সালে চীনে এফডিআই বেড়েছে ৪ শতাংশ এবং ভারতে ১৩ শতাংশ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি