1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আয়কর আদায় না করতে নির্দেশ দুর্গাপূজায় ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী ফের ভ্যাকসিন রপ্তানি শুরু করতে যাচ্ছে ভারত করোনায় আরও ২৬ মৃত্যু, শনাক্ত ১,৫৫৫ শেখ হানিসার নেতৃত্বে কর্মমুখী শিক্ষাব্যাবস্থা বিপ্লব সৃষ্টি হবে সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলব অপ্রত্যাশিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার ৩ জনকে বদলি বিদেশে বসে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের ফোনআলাপ ফাঁস, নেপথ্যর কারিগর কনক সারোয়ার বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগে আগ্রহী সৌদি আরব নগদ থেকে ৩ কোটি ৩২ লাখ টাকা পেল ডাক বিভাগ ‘সরকারকে বহু আগেই ধন্যবাদ দেয়া প্রয়োজন ছিল বিএনপির’ বিএনপির আন্দোলনের বর্তমান প্রয়াসও নিষ্ফল হবে : কাদের এক মাসের মধ্যে ডেঙ্গুর প্রকোপ কমে আসবে : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ভারতে করোনায় মৃত্যু ও সংক্রমণ কমেছে রাজধানীতে মাদক বিক্রি ও সেবনের অভিযোগে গ্রেফতার ৫০

ভিক্ষায় নামাতে শিশুটির চেহারা বিকৃত করে দেয় অপহরণকারী, ছয় দিন পর শিশুটি উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট : রবিবার, ২ মে, ২০২১
  • ১১৬ বার দেখা হয়েছে
ভিক্ষায় নামাতে শিশুটির চেহারা বিকৃত করে দেয় অপহরণকারী, ছয় দিন পর শিশুটি উদ্ধার
ছয়দিন পর মায়ের কোলে শিশু রাশিদা

মোসাম্মৎ সুমা তার দুই বছরের মেয়েকে নিয়ে থাকেন মোহাম্মদপুরের আজিজ খান রোডে। কাগজ আর ভাঙারি কুড়িয়ে বিক্রি করেন। যে কয়টাকা আয় হয় তা দিয়েই সংসার চালান।

গত ২৫ এপ্রিল সুমা তার কোলের শিশু রাশিদা আক্তারকে নিয়ে বের হন কাগজ কুড়াতে। ঘুরতে ঘুরতে বিকেলে চলে যান পুরান ঢাকার বংশাল চৌরাস্তায়। কুড়ানো কাগজের বস্তা বড় হয়ে যাওয়ায় সুমা তার মেয়েকে কোলে রাখতে পারছিলেন না। তাই রাস্তার পাশে বসিয়ে রেখে গিয়েছিলেন সেই কাগজ আর ভাঙারি বিক্রি করতে। ফিরে দেখেন তার আদরের রাশিদা নেই! এরপর পথচারীদের সহায়তায় পুলিশের সহায়তা নেন মোসাম্মৎ সুমা। বংশাল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। ছয়দিন পর শনিবার পুলিশ কেরাণীগঞ্জের কদমতলী শহীদ নগর এলাকার একটি বাসা থেকে ছোট্ট রাশিদাকে উদ্ধার করে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দেয়।

পুলিশ জানায়, ছোট্ট রাশিদাকে অপহরণ করা হয়েছিল। অপহরণের পর তাকে নির্যাতন করা হয়, মুখমণ্ডল বিকৃত করে দেওয়া হয়।

শিশু রাশিদাকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার নীলা বেগম

অপহরণে জড়িত নীলা বেগমকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নীলার ১০ বছর বয়সী এক মেয়েকেও হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বংশাল থানা পুলিশের হেফাজতে থাকা নীলা জানান, তিনি ভিক্ষা করেন। শিশুটিকেও (রাশিদা) ভিক্ষা করাতে রাস্তা থেকে তুলে নিয়েছিলেন। এরপর মানুষের সহানুভুতি পেতে মারধর করে তার চোখ, নাক ফুলিয়ে দেন। শিশুটিকে নিয়ে ভিক্ষা করা শুরুও করেছিলেন নীলা।

নীলা জানান, এমন শিশুকে কোলে দেখলে লোকজন বেশি ভিক্ষা দেয়। অসুস্থ দেখাতে পারলে মানুষের মমতাও বাড়ে। এতে ভিক্ষা পান বেশি।

বংশাল থানার ওসি মো. শাহীন ফকির বলেন, শিশুটি নিখোঁজের জিডি হওয়ার পর তাকে উদ্ধারে লালবাগ বিভাগের ডিসি বিপ্লব বিজয় তালুকদার চার সদস্যদের টিম গঠন করেন। এরপর ওই টিম আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এবং সোর্সের মাধ্যমে নিখোঁজ শিশুর সন্ধান চালাতে থাকে। এক পর্যায়ে কেরাণীগঞ্জের কদমতলী এলাকায় নীলা বেগমের কাছ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। নীলা শিশুটিকে অপহরণ ও ভিক্ষাবৃত্তিতে নামানোর কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান তিনি। ওসি জানান, নীলার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।

ওসি মো. শাহীন ফকির বলেন, মারধর করে শিশুটির চেহারা বিকৃত করে দেওয়া হয়েছে। এজন্য তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশের লালবাগ বিভাগের অপর এক কর্মকর্তা জানান, গ্রেপ্তার নীলা বেগমের স্বামী দুই বছর আগে তাকে ছেড়ে চলে গেছেন। এরপর থেকে তিনি ভিক্ষা করে সংসার চালাচ্ছিলেন। তার চার সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ের বয়স ১০ বছর। ওই চারজনই তার সন্তান কী-না, তা নিয়েও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে। এজন্য নীলার সঙ্গে থাকা চার শিশুর ডিএনএ পরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ।

 

সূত্র : সমকাল

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি