1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
  3. [email protected] : lalashimul :
বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ১০:৪৭ অপরাহ্ন

ভুটানের জন্য উন্মুক্ত তিন সুমদ্র বন্দর: প্রধানমন্ত্রী

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৮২ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের তিনটি সুমদ্র বন্দর চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা ভুটানের জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি জানান, আঞ্চলিক বিমানবন্দর সৈয়দপুর উন্নয়ন কাজ চলছে এবং এটিও ভুটান ব্যবহার করতে পারবে। চিলমারি ও নারায়ণগঞ্জের পানগাওঁ বন্দরও ভুটান ব্যবহার করতে পারবে। রোববার (৬ ডিসেম্বর) দুই দেশের অগ্রাধিকার বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এই ঘোষণা দেন। এর আগে বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি ও ভুটানের অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রী লোকনাথ শর্মা চুক্তি সই করেন। ভুটান থেকে বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বোল্ডার আসবে এবং সতেজ ফলমূলও আসবে আশা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী জানান, ভুটানিজরা বাংলাদেশের কাপড় ও ওষুধ পাবে। এই অগ্রাধিকার চুক্তির অধীনে এখন অনেক পণ্যের বিনাশুল্কে বাণিজ্য হবে বলে তিনি জানান। ভুটান বাংলাদেশিদের মনে এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে একটি ঐতিহাসিক দিন। এই দিন আমরা প্রথম অগ্রাধিকার চুক্তি করছি এবং যেদেশ আমাদেরকে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে তার সঙ্গে পিটিএ করছি।’
প্রসঙ্গত, ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে ভুটান প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
ওই দিনের ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার পিতাকে পাকিস্তানি আর্মিরা গ্রেফতার করে পাকিস্থানে নিয়ে গিয়েছিল। আটক থাকা অবস্থায় দুই ভাই কামাল ও জামাল পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যায়। ওই সময়ে মা, বোন, ছোট ভাই রাসেল ও আমার তিন মাসের ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়সহ সবাই আটক অবস্থায় ছিলাম। যেদিন ভুটান স্বীকৃতি দিলো এবং আমরা যখন শুনতে পেলাম তখনকার অনুভূতি আমি প্রকাশ করতে পারবো না।
শেখ হাসিনা বলেন, আমরা খুশিতে হাসছিলাম, চিৎকার করছিলাম এবং কাঁদছিলাম এবং এই জন্য ভুটানকে ধন্যবাদ।
কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, এটি আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে এবং এটি মোকাবিলায় আমাদের সবার একসঙ্গে কাজ করতে হবে। কোভিড শুধু স্বাস্থ্য সমস্যা নয়, এটি সামাজিক সমস্যাও বটে। এরজন্য দৃঢ় আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতা দরকার।
এই অগ্রাধিকার চুক্তি দুই দেশের সম্পর্কে ইতিবাচক প্রভাব রাখবে আশা করে তিনি বলেন, আগামি ৫০ বছরে এই সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে।
ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিং মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র লোতে শেরিং বাংলাদেশকে দ্বিতীয় দেশ হিসাবে অভিহিত করে বলেন, বাংলাদেশ সব সময়ই ভুটানকে সহযোগিতা করেছে।
বাংলাদেশ থেকে ইন্টারনেট সংযোগ পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ট্রান্সশিপমেন্ট এবং এই সংক্রান্ত এসওপি ইতোমধ্যে সই করা হয়েছে। পিটিএ দুই দেশের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি