1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ০১:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে ৭ জনের মৃত্যু ঘূর্ণিঝড় রেমাল : সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল ঘূর্ণিঝড় রেমাল: ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘোষণা এমপি আনার হত্যা: কলকাতায় ডিবি প্রতিনিধিদল মধ্যরাতে মহাবিপৎ সংকেত জারি হতে পারে: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী বেনজীর, আজিজ, আনোয়ারুলের অপরাধের দায় নেবে না আওয়ামী লীগ মানুষের কল্যাণে কাজ করা, এটাই আমাদের লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী রিমান্ডে রহস্যময় সব নাম, রাজনীতিবিদ থেকে প্রভাবশালী, বাদ যাচ্ছেন না যেন কেউই বিকেলের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে,আঘাত হানতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে বঙ্গবাজার মার্কেটসহ ৪ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মানবতাবিরোধী অপরাধ: গফরগাঁওয়ের ৩ জনের আমৃত্যু দণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৫১৬ বার দেখা হয়েছে

একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের নয়জনের মধ্যে আটজনকে দণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এ মামলায় খালাস পেয়েছেন একজন।
বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মো. শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এ রায় দেন। রায়ে মো. সামসুজ্জামান ওরফে আবুল কালাম, এ এফ এম ফয়জুল্লাহ (পলাতক), আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডলকে (পলাতক) আমৃত্যু দণ্ড দেওয়া হয়।
২০ বছর করে সাজা দেওয়া হয় মো. খলিলুর রহমান, মো. আব্দুল্লাহ, মো. রইছ উদ্দিন আজাদী ওরফে আক্কেল আলী, আলিম উদ্দিন খান (পলাতক) ও সিরাজুল ইসলাম তোতাকে। আর খালাস পান আব্দুল লতিফ।
এর আগে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত বছরের ২৬ জানুয়ারি মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়েছিল। পরে চলতি মাসের ৯ তারিখে রায়ের জন্য বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিন ঠিক করা হয়।
ময়মনসিংহের নয়জনের এ মামলায় আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ সীমন, জাহিদ ইমাম ও তাপস কান্তি বল। আসামিপক্ষে ছিলেন আব্দুস সাত্তার পালোয়ান।
রায়ের পর আব্দুস সাত্তার পালোয়ান বলেন, এ মামলায় ১১ আসামির বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ৪ মার্চ অভিযোগ গঠন করেছিলেন আদালত। এর মধ্যে গ্রেফতার ছিলেন মো. খলিলুর রহমান মীর, মো. সামসুজ্জামান ওরফে আবুল কালাম, মো. আব্দুল্লাহ, মো. আব্দুল মালেক আকন্দ ওরফে আবুল হোসেন ওরফে আবুল মেম্বার, মো. রইছ উদ্দিন আজাদী ওরফে আক্কেল আলী ও আব্দুল লতিফ। পলাতক ছিলেন এ এফ এম ফয়জুল্লাহ, আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল, সিরাজুল ইসলাম তোতা, আলিম উদ্দিন খান ও নুরুল আমিন শাহজাহান।
এর মধ্যে বিচার চলাকালে মো. আব্দুল মালেক আকন্দ ওরফে আবুল হোসেন ওরফে আবুল মেম্বার ও পলাতক থাকা অবস্থায় নুরুল আমিন শাজাহান মারা যান।
আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ আনা হয়েছে।
২০১৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ, অপহরণ, আটক, নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায়ের চারটি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে চারজনকে হত্যা, নয়জনকে আটক ও নির্যাতনের অভিযোগ। একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার নিগুয়ারী ইউনিয়নের সাধুয়া গ্রাম ও টাঙ্গাব ইউনিয়নের রৌহা গ্রামে তারা এসব অপরাধ করেন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি