1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৫:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
দুই বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেবে চীন জলাবদ্ধতা নিরসনে মেয়র তাপসের সফলতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে কারা? সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পরিকল্পিতভাবে কাজ করায় দেশের অর্থনীতি এখন শক্তিশালী: প্রধানমন্ত্রী বাজারে কাঁচা মরিচের ‘ঝাল’ বেড়েই চলছে ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে: এফবিআই রোববার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন প্রধানমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরা  একাদশে ভর্তি: শেষধাপেও কলেজ পাননি ১২ হাজার শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি ও ওবায়দুল কাদেরকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে সড়কের প্রকৌশলী শাহজাদার সংঘবদ্ধ দূর্নীতির সিদ্ধান্ত

যশোরে পল্লী বিদ্যুতের অনেক গ্রাহক ‘দেড় থেকে দুই গুণ বেশি বিল নিয়ে বিপাকে’

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : সোমবার, ১৫ মার্চ, ২০২১
  • ৫৩১ বার দেখা হয়েছে
যশোরে পল্লী বিদ্যুতের অনেক গ্রাহক ‘দেড় থেকে দুই গুণ বেশি বিল নিয়ে বিপাকে’ পড়েছেন। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ কর্তৃপক্ষ ‘গড় বিলের’ নামে অতিরিক্ত বিল ধরিয়ে দিচ্ছে বলে তাদের অভিযোগ।
গড় বিল সম্পর্কে বিদ্যুৎ বিলের কপিতে লেখা থাকছে, “আপনার অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আপনার গত বছরের একই সময়/একই মাসের বিদ্যুৎ ব্যবহারের ভিত্তিতে গড় বিল প্রণয়ন করা হল। কোনো অসংগতি থাকলে পরবর্তীতে তা সংশোধন/সমন্বয় করা হবে।”
কিন্তু গ্রাহকরা বলছেন, গড় বিলের চেয়ে তাদের দেড় থেকে দুই গুণ বেশি বিল দেওয়া হয়েছে।
শার্শা উপজেলার নামাজগ্রামের আলি আজগার বলেন, এপ্রিলে তার বিল এসেছে ১২২৪ টাকা। অথচ গত বছর এপ্রিলে এই বিল ছিল ৬৬৭ টাকা।
মহামারীতে বেকারত্বের দিনে তিনি এই অতিরিক্ত বিল নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বলে জানান।
নাভারন ফজিলাতুন নেছা মহিলা কলেজের হিসাববিঞ্জান বিভাগের অধ্যাপক বখতিয়ার খলজি বলেন, “প্রতিটি বিলে গত বছরের চেয়ে দেড় থেকে দ্বিগুণ বেশি করে দেওয়া হচ্ছে।”
শার্শা উপজেলার ভবেরবেড় গ্রামের বাসিন্দা আওয়াল হোসেন বলেন, গত বছর এপ্রিলে তার বিল এসেছিল ৮০০ টাকা। এবছর জানুয়ারী বিল এসেছে  ১২৮৪ টাকা  । আরও অনেক গ্রাহক এমন অভিযোগ করেছেন।
এ বিষয়ে যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১-এর বাগআঁচড়া সাব জোনাল অফিসের এজিএম মামুন মোল্লা দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি কে বলেন ,  মহামারীর কারণে তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিটার দেখতে পারেননি।
“আমরা বুঝছি কিছু গরমিল হয়েছে। অতিরিক্ত বিল পরে সমন্বয় করে দেওয়া হবে। তাছাড়া অফিসে আসলেও ঠিক করে দিচ্ছি।”

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি