Warning: Creating default object from empty value in /home/jatioart/public_html/wp-content/themes/NewsFreash/lib/ReduxCore/inc/class.redux_filesystem.php on line 29
রংপুরে বেড়েই চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম – দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি
  1. bdweb24@gmail.com : admin :
  2. arthonite@gmail.com : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন

রংপুরে বেড়েই চলেছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম

আফ্ফান হোসাইন আজমীর
  • আপডেট : বুধবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৪
  • ৫৬ বার দেখা হয়েছে

মোঃ আফ্ফান হোসাইন আজমীর, রংপুর প্রতিনিধিঃ

রংপুরের বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে নিত্যপন্যের দাম। তবে কমেছে ব্রয়লার মুরগি, আলু ও রসুনের দাম। এছাড়া অপরিবর্তীত রয়েছে চাল, তেল, ডাল ও চিনি।

খুচরা বাজারে প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮৫-৯০ টাকা। এছাড়া পোলট্রি মুরগির ডিমের হালি ৪০-৪২ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৪৪-৪৫ টাকা।

মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) রংপুর নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, চিকন বেগুন গত সপ্তাহের মতোই ৭০ টাকা, মাঝারি এবং গোল বেগুন ৮০ টাকা, টমেটো ৪০-৫০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, পেঁপে ২৫-৩০ টাকা, করলা ৭৫-৮০ টাকা, লেবু প্রতিহালি ১০-১৫ টাকা, শুকনা মরিচ আগের মতোই ৫৫০-৬০০ টাকা, প্রতিপিস লাউ (আকারভেদে) ৭০-৮০ টাকা, ধনেপাতা ৬০-৭০ টাকা থেকে কমে ৪০-৪৫ টাকা, কাঁচকলা প্রতিহালির দাম ২৫-৩০ টাকা, প্রতিকেজি মিষ্টিকুমড়া ৩৫-৪০ টাকা, শিম ৫০-৬০ টাকা, বাঁধাকপি প্রতিপিস ২০-২৫ টাকা, ফুলকপির কেজি ৩৫-৪০ টাকা, মুলা ২০-২৫ টাকা ও দেশি রসুন ২৮০-৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বাজারে সবধরনের শাকের আঁটির দাম ১৫ থেকে ২৫ টাকা।

বাজারে আসা নতুন কার্ডিনাল আলুর দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ৪০-৪৫ টাকা, শিল আলুর দাম কমে ৫৫-৬০ টাকা, বগুড়ার সাদা পাকরি আলু ৫০ টাকা, গ্রানুলা ৩৫-৪০ টাকা এবং ঝাউ আলু ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে কাঁচামরিচ ৭০-৮০ টাকা থেকে কমে ৫০-৬০ টাকা এবং দেশি আদার কেজি ২৩০-২৪০ টাকা।

মুলাটোল আমতলা বাজারের সবজি বিক্রেতা আলম মিয়া বলেন, দুদিন আগে হঠাৎ করে বাজারে বেগুনের সরবরাহ কমে যায়। এ কারণে দাম ৯৫-১০০ টাকা উঠেছিল। তবে মঙ্গলবার থেকে দাম কিছুটা কমে আসে।

এছাড়া অন্যান্য সবজির দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে শীতকালীন শাকসবজির দাম আগের বছরগুলোর তুলনায় এবার অনেক বেশি।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, খোলা চিনি গত সপ্তাহের দরেই ১৪৫-১৫০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫৫-৬০ টাকা, খোলা আটা ৪৮-৫০ টাকা, ছোলাবুট ৯৫-১০০ টাকা, প্যাকেট ময়দা ৭০ টাকা, মসুর ডাল (মাঝারি) ১২০ টাকা, চিকন ১৩৫-১৪০ টাকা, মুগডাল ১৭০-১৮০ টাকা এবং বুটডাল ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মুরগি বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম সামান্য কমে ১৯০-২০০ টাকা, পাকিস্তানি মুরগি ৩০০-৩১০ টাকা থেকে কমে ২৮০-২৯০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড ২৭০-২৮০ টাকা থেকে কমে ২৫০-২৬০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার ২৭০-২৮০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৪৪০-৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে গরুর মাংস আগের মতোই ৬৭০ থেকে ৭০০ টাকা এবং ছাগলের মাংস ৮০০-৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সাহেবগঞ্জ বাজারের মুরগি বিক্রেতা নুরু মিয়া বলেন, মুরগির বাজার ওঠানামা করছে। সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম ১০-২০ টাকা কমেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন ১৭৩ টাকা এবং দুই লিটার ৩৪৬ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৬০-১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, খুচরা বাজারে স্বর্ণা (মোটা) চাল গত সপ্তাহের মতো ৫০-৫২ টাকা, পাইজাম ৫৮-৬০ টাকা, জিরাশাইল ৬২-৬৫ টাকা, বিআর-২৮ ৬৫-৬৮, মিনিকেট ৭২-৭৫ টাকা এবং নাজিরশাইল ৮০-৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুইমাছ ২৫০-৩৫০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারফু ২০০-২২০ টাকা, পাঙাস ১৫০-১৬০ টাকা, তেলাপিয়া ১৪০-১৬০, কাতল ৪০০-৪৫০ টাকা, বাটা ১৬০-১৮০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৫০-২৫০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি