1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২২, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
অশ্লীলতার মামলায় খালাস পেলেন শিল্পা শেঠি নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সুনির্দিষ্ট কোনো রূপরেখা নেই: কাদের প্রকাশ্যে এসে কাঁদতে কাঁদতে অনেক কথা বললেন পপি করোনায় আরও ১৭ মৃত্যু, শনাক্ত ১৫,৫২৭ নন-ক্লোজার এগ্রিমেন্টে ভ্যাকসিন কেনা হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওমিক্রনের ঝুঁকি এখনো অনেক বেশি : ডব্লিওএইচও সমন্বিত ৫ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়েছি : প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৬৬ নির্বাচন কমিশন গঠন বিলের রিপোর্ট সংসদে উত্থাপন প্রিয়াংকা মা হওয়ায় দুশ্চিন্তায় প্রযোজকরা নেদারল্যান্ডসকে হোয়াইটওয়াশ করল আফগানিস্তান ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস আজ অবশেষে অনশন ভাঙলেন শাবি শিক্ষার্থীরা ওমিক্রন প্রতিরোধী ফাইজারের নতুন টিকার ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু

রাজধানীর ১৭ টি থানা কোভিড-১৯ সংক্রমণের ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : রবিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২১
  • ৮৯ বার দেখা হয়েছে

সরকারি তথ্যে প্রকাশ, রাজধানী শহরের অন্তত ১৭টি থানা কোভিড-১৯ সংক্রমণের ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

সারা দেশে সংক্রমণের গড় হার ১৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ হলেও রাজধানীর অন্তত ১৭টি স্থানে সংক্রমণের হার ৩০ শতাংশেরও বেশি পাওয়া গিয়েছে।

রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আরও ২৩টি এলাকায় সংক্রমণের হার ২০ শতাংশেরও বেশি।কর্মকর্তাদের মতে, সংক্রমণের হার ৩০ শতাংশের বেশি থাকা মানে সেখানে উচ্চ পর্যায়ের ঝুঁকি রয়েছে এবং ২০ শতাংশের বেশি থাকা মানে তা মধ্যম পর্যায়ের ঝুঁকিতে রয়েছে, যেটি যেকোনো সময় উচ্চ ঝুঁকিতে রূপান্তরিত হতে পারে।

সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এখন রূপনগর ও আদাবর

শুরু থেকেই রাজধানীতে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু বেশি। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) বলছে, রাজধানীর ১৯টি থানা এলাকা এখন করোনা সংক্রমণের দিক দিয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। এসব থানায় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৩১ থেকে ৪৬ শতাংশ। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ রূপনগর ও আদাবর থানা এলাকা।

বাজার-গণপরিবহন থেকে বেশি ছড়াচ্ছে করোনা

দেশে প্রতিদিনই বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। সেই সাথে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশে নতুন করে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৩৪৩ জন। সবমিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৯৩৭ জনে। মোট মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ৬৬১ জনের।

সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণ বিশ্লেষণ করে সরকারের রোগতত্ত¡, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়ানোর সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান এখন দুটি, বাজার এবং গণপরিবহন। দেশে এখন পর্যন্ত যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের বড় অংশই হয় বাজারে গেছেন, নয়তো গণপরিবহন ব্যবহার করেছেন। ৫ মার্চ থেকে ৫ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে আট হাজার করোনা রোগীর তথ্য পর্যালোচনা করে আইইডিসিআর জানিয়েছে, আক্রান্ত রোগীদের ৬১ শতাংশের বাজারে যাওয়া এবং গণপরিবহন ব্যবহারের ইতিহাস রয়েছে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি