1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ন্যাটোতে প্রবেশে ফিনল্যান্ড-সুইডেনকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিলেন বাইডেন খোলাবাজারে ডলারের দাম রেকর্ড ১১৯ টাকা ঢাকায় ওসির বিপুল সম্পদ: রিটকারীকে দুদকে আবেদন দিতে বললেন হাইকোর্ট বিয়ে না করে সন্তান জন্মদান: কিশোর-কিশোরীর অভিভাবককে তলব ক্যানসার গবেষণায় বাংলাদেশি গবেষকের সাফল্যে নোয়াখালীর ড. মো. জসিম কর ফাঁকি ও অর্থপাচার রোধে ‘কমন রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ড’ অবলম্বন করুন: টিআইবি সুইস ব্যাংকে জমা অর্থের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির তথ্য চায়নি বাংলাদেশ মার্চেই শেষ হবে সায়েদাবাদে আধুনিক বাস টার্মিনাল নির্মাণ: মেয়র তাপস বাংলাদেশের বিশেষ কোন দলকে সমর্থন করে না যুক্তরাষ্ট্র: রাষ্ট্রদূত সম্রাটের জামিন বাতিলের আদেশ বহাল

রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে মিথ্যাচার, প্রেস সচিবের অস্বীকার

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১১০ বার দেখা হয়েছে

কানাডা থেকে প্রচারিত নাগরিক টিভি যুদ্ধাপরাধীদের অর্থায়নে পরিচালিত হয়। এই টিভির মাধ্যমে সরকার এবং রাষ্ট্রবিরোধী নানা অপপ্রচারে লিপ্ত।

সাম্প্রতিক সময়ে গুলশানে এক নারীর মৃত্যু নিয়ে এই ভুই ফোড় অনুমোদনহীন আইপি টিভিতে শুরু হয়েছে কুৎসিত মিথ্যাচার। প্রতিদিন এই মিথ্যার ফ্যাক্টরীতে উৎপাদিত হচ্ছে নোংরা অপপ্রচার। সম্প্রতি এই মিডিয়ায় মুনিয়া মৃত্যু ঘটনায় রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে মিথ্যাচার করা হয়েছে।

নাগরিক টিভি নামের এই আবর্জনায় বলা হয়েছে, মুনিয়ার বোনের মামলা নিয়ে বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে নাকি রাষ্ট্রপতির সংগে যোগাযোগ করা হয়। নাগরিক টিভির ভাষ্য মতে, রাষ্ট্রপতি এব্যাপারে কোন কিছু করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে।’ নাগরিক টিভির এই রিপোর্টের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীনের সংগে যোগাযোগ করা হয়। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব বলেন ‘এধরনের কোন ঘটনাই ঘটেনি। ঐ রিপোর্ট নিজ্জলা মিথ্যাচার।’

উল্লেখ্য রাষ্ট্রপতি হলেন দেশের প্রধান ব্যক্তি। তিনি জাতির ঐক্যের প্রতীক। তিনি সব বিতর্কের উর্ধ্বে। রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে এহেন মিথ্যাচার দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধারিক পদকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা। কোন মামলার তদন্ত, বিচার প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপতি কখনোই হস্তক্ষেপ করেন না। রাষ্ট্রপতি আলংকারিক প্রধান। সংবিধানের ৪৯ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি দন্ডিত হলে তার দন্ড মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির আছে।’

উল্লেখ্য বিতর্কিত এবং উদ্দেশ্য প্রনোদিত মামলাটিই প্রশ্ন বিদ্ধ। কেবল মাত্র ৮ নং নারীও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে একটি মামলা হয়েছে। এই মামলা সবে তদন্ত শুরু করেছে পিবিআই। এপর্যায়ে রাষ্ট্রপতির কাছে যাওয়ার কোন বাস্তব প্রেক্ষিত নেই। তারপরও রাষ্ট্রপতিকে এর সংগে জড়ানো হয়েছে ভিন্ন উদ্দেশ্যে। সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে বিএনপি রাষ্ট্রপতির কাছে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশন গঠনের সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দেন। বিএনপি নির্বাচন কমিশন নিয়ে একটি রাজনৈতিক ইস্যু করতে চায়। একারনেই জামাত এবং যুদ্ধাপরাধী নিয়ন্ত্রিত নাগরিক টিভিকে দিয়ে রাষ্ট্রপতিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি