1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের জায়গা দখলে নিচ্ছে ওমিক্রন করোনায় আরও ১৪ মৃত্যু, শনাক্ত ১০,৯০৬ তামিমের সঙ্গে সামনাসামনি কথা বলতে চাই: সুজন সূচকের সঙ্গে কমেছে লেনদেন ‘অবৈধ দখলদারদের সিটি করপোরেশন নোটিশ দেবে না’ যতটা ভয় পাচ্ছি, ততটা ভয়াবহ কিছু হবে না: অর্থমন্ত্রী করোনার টিকাদান সোয়া ১৫ কোটি ছাড়িয়েছে রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতাকে রক্ষা করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে ফের আলোচনায় বসছেন শিক্ষার্থীরা ইসি নিয়োগ বিল সংসদে উত্থাপন ভারতে ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ৩ লাখ ৩৩ হাজার, মৃত্যু ৫২৫ সংসদের মুলতবি বৈঠক শুরু ১০১ টাকা কাবিনে বিয়ে হলো রাজ-পরীর রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৫৪ হোল্ডারের ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে ক্যারিবীয়দের দাপুটে জয়

লকডাউনে শ্রমজীবি মানুষের আর্তনাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : বুধবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৯০ বার দেখা হয়েছে

লকডাউনে রাস্তায় নেমে এসেছে শ্রমজীবি মানুষেরা, এদের মধ্যে অনেকেই নদীভাঙনের শিকার হয়ে ঢাকায় এসেছেন। কারও আবাদি জমি নেই, তাই কাজের সন্ধানে এসছে রাজধানীতে। কেউ বা এসেছেন একটু উন্নত জীবনের আশায়। সবাই ভোর না হতেই কাজের আশায় জড়ো হয়েছেন সিয়া মসজিদ এলাকায়।

বাশঁবাড়ি বস্তির সখিনা বলেন, সরকার লকডাউন দিয়েছে বড়লোকের জীবন বাচাঁতে। কিন্তু আমাদের খাদ্যের সংস্থান করেননি। আমরা গতর খেটে জীবন চালাই আর সেই আমাদের কথা ভাবলো না সরকার? তিনি বলেন ঘরে থাকলেতো মুখে হাত উঠবে না, তাই কাজের সন্ধানে চলে এসেছি। যদি কেউ ঘরের কিংবা রাজমিস্ত্রীর জোগালির কাজে নেয় সেই আশায়।

রাবেয়া বেগম বাড়ী শেরপুরের গোয়ালাবাড়ি, তিনি থাকেন মোহম্মদপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় । সকালেই চলে এসেছেন মোহম্মদপুর সিয়ামসজিদ এলাকায় কাজের সন্ধানে। জীবন-জীবিকার প্রয়োজনে ইট ভাঙা, নির্মাণকাজ, রাজমিস্ত্রি, রাজমিস্ত্রির সহকারী, কাঠমিস্ত্রি, বস্তা টানা, মাটি কাটা, ড্রেন পরিষ্কার থেকে শুরু করে এমন কোনো কাজ নেই, যা তাঁরা করেন না।

কিন্তু আজ কাজ করতে না পারলে সন্তান স্বামীসহ সবাইকে উপোবাস থাকতে হবে, তাই বসে আছি যদি কারোর দয়া হয় চাল-ডাল দেয় সেই আশায়। তিনি বলেন শুনেছি দেশে চলছে সাত দিনের লকডাউন। করোনা সংক্রমণ রোধে এ লকডাউন ডাকা হলেও আমরা বাচঁবো কিভাবে তার ব্যবস্থা করা হয়নি!

পেশায় রিক্সা চালক লোকমান আলী, থাকেন ফার্মগেট তেজকুনিপাড়া জানান, লকডাউনে রিক্সা না চালালে খামু কি? তাই মহল্লার ভিতরেই লোক আনা নেওয়া করছি আফা। প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানালেন সকাল থেকে ৩০০ টাকা আয় করেছেন, দেখা যাক পুলিশ বাধা দিলে ঘরে ফিরে যামু চালডাল কিনা। তিনি বলেন, লকডাউনে ঘরে বসে থাকলে পরিবার নিয়ে কী খামু। কাজের সন্ধানে ঘর থেকে বের হয়েছি। আমাদের মতো দিন আনি-দিন খাওয়া মানুষদের লকডাউনে পরতে হয় মহাবিপদে। কর্ম আর খাবারের সন্ধানে ঘর থেকে বের হয়েছি।

আমাদের মতো নিম্নআয়ের মানুষদের লকডাউন মেনে চলা খুব কঠিন। ঘরে শুয়ে বসে দিন পার করাও কঠিন। পরিবার-পরিজন নিয়ে খেয়ে পরে বেঁচে থাকতে তো হবে। রহিম শেখ বাড়ী ফরিদপুর , তিনি থাকেন রেলকলোনী বস্তিতে জানালেন, লকডাউনে মানুষজন ঘর থেকে বেরোচ্ছে কম। আমি গরিব মানুষ, দিন আনি-দিন খাই। কাজ না করলে পরিবার নিয়ে না খেয়ে দিন পার করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি