1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
  3. [email protected] : lalashimul :
বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০১:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বিভাগীয় রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক প্রতিনিধি সদস্য পদে মনোয়নে অনিয়ম দূর্নীতি ।। দাবানলে পুড়ছে গ্রিস ভারতীয় পেসে ১৮৩ রানেই গুটিয়ে গেল ইংল্যান্ড আজ ব্যাংক খোলা, লেনদেন আড়াইটা পর্যন্ত গণটিকা সফল করতে নেতাকর্মীদের ক্যাম্পেইনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ৭ দিনে ১ কোটি টিকা দেওয়ার সক্ষমতা আছে: স্বাস্থ্য অধিদফতর সীমিত পরিসরে ভারতে ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত বিপুল পরিমান মাদকদ্রব্যসহ আটক পরীমনি রেমিটেন্স পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে: অর্থমন্ত্রী অজিদের গুঁড়িয়ে দিয়ে দাপুটে জয় টাইগারদের বঙ্গবন্ধু হত্যায় জিয়ার জড়িত থাকা স্পষ্ট: তথ্যমন্ত্রী পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজকেও আটক করেছে র‌্যাব বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সাথে জড়িতরা এখনো সক্রিয় : প্রাণিসম্পদমন্ত্রী অবৈধ কার্যকলাপ ঢাকতে নাম সর্বস্বদের  ভূয়া টিভি চ্যানেল বানিজ্য  আজ আবারও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

লন্ডনে সাকার বাড়ি এখন বার্গম্যানের

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১৩৩ বার দেখা হয়েছে

লন্ডনে যুদ্ধাপরাধে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর বেশ সম্পদ রয়েছে। বাংলা ইনসাইডারের অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে, লন্ডনে সাকা চৌধুরীর তিনটি বাড়ীর হদিস। শেয়ার বাজারে বিপুল বিনিয়োগ এবং ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা। এই সব অর্থই দেখভাল করে এখন সাকা পুত্র। শুধু একটি ছাড়া। লন্ডনে অন্যতম অভিজাত এলাকা হিসেবে পরিচিত নাইটব্রীজ। নাইটব্রীজে সাকার অভিজাত বাড়ীটিতেই থাকে ড. কামাল হোসেনের জামাতা এবং যুদ্ধাপরাধীদের লবিষ্ট ডেভিড বার্গম্যান। নাইটব্রীজের অভিজাত এই বাড়ীতে ডেভিড বার্গম্যান থাকছেন ২০১৮ সাল থেকে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, ডেভিড বার্গম্যান থাকলেও বাড়ীটির মালিকানা এখনও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর নামে। লন্ডনে প্রপার্টি ট্রান্সফার বিভাগের তথ্যে তা দেখা যায়। সাকা চৌধুরীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবার পর, তার স্ত্রী ফরহাত চৌধুরী বাড়ীটি তার নামে হস্তান্তরের জন্য আবেদন করে। ঐ আবেদনটি এখনও চূড়ান্ত বিবেচনা হয়নি। কিন্তু বাড়ীটিতে ডেভিড বার্গম্যান সাকা চৌধুরীর ছেলের অনুরোধে ওঠেন। প্রায় ৭ হাজার স্কয়ার ফুটের ঐ বাড়ীতে ডেভিড বার্গম্যানের একটি ব্যক্তিগত স্টুডিও আছে।

উল্লেখ্য, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হলে ২০১০ সালে লন্ডনে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী সঙ্গে ডেভিড বার্গম্যানের প্রথম সাক্ষাত হয়। সাকার অনুরোধ, লন্ডনে অবস্থানরত একজন আইএসআই এজেন্ট ডেভিড বার্গম্যানকে সাকার কাছে নিয়ে যান। তখনও সাকার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়নি। কিন্তু সাকা জানতেন তারও বিচার হবে। তবে, সাকা চৌধুরী লন্ডনে একাধিক ব্যক্তিকে বলেছিলেন তার ফাঁসি হবে না। তবে, যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য তিনি ডেভিড বার্গম্যানকে দায়িত্ব দেন। সেই সূত্রেই ডেভিড বার্গম্যান বাংলাদেশে আসেন। যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে অযৌক্তিক লেখালেখির কারণে বার্গম্যান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত হন। এখন লন্ডনে তারেক জিয়া এবং যুদ্ধাপরাধী গোষ্ঠী যে বাংলাদেশ বিরোধী তৎপরতায় লিপ্ত, তার অন্যতম থিংক ট্যাংক হলো ডেভিড বার্গম্যান।

সূত্র : বাংলা ইনসাইডার

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি