1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন

সংকট মোকাবিলায় পেঁয়াজ চাষে গুরুত্ব দিচ্ছে কৃষি বিভাগ

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪৭৯ বার দেখা হয়েছে
সংকট মোকাবিলায় পেঁয়াজ চাষে গুরুত্ব দিচ্ছে কৃষি বিভাগ
পেঁয়াজ চাষ

রাজশাহী প্রতিনিধি
সংকট মোকাবিলায় এবার পেঁয়াজ চাষে গুরুত্ব দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। সরকার ও কৃষি মন্ত্রণালয় দেশব্যাপী পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়াতে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে। যা বাস্তবায়ন হলে আগামী দুই বছরের মধ্যে পেঁয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে আশা করা হচ্ছে।

এরই ধারাবাহিকতায় রাজশাহীতে পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়াতে ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, রাজশাহীতে তাহিরপুরি জাতের পেঁয়াজ চাষ সবচেয়ে বেশি হয়। চলতি রবি মৌসুমে জেলায় ১৬ হাজার ৭৯১ হেক্টর জমিতে তাহিরপুরি জাতের পেঁয়াজ চাষ হয়েছে। হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ছিল ১৬ দশমিক ৭৩ টন। মোট উৎপাদন ছিল ২ লাখ ৮২ হাজার ৭৯৯ মেট্রিক টন। সেই হিসেবে আগামী মৌসুমে ১৭ হাজার হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলে উৎপাদিত পেঁয়াজ জেলার চাহিদা মিটিয়ে অন্য জেলায় বিক্রি করতে পারবেন কৃষকেরা।

বর্তমানে পেঁয়াজ চাষে উদ্বুদ্ধ করতে দফায় দফায় কৃষকদের সঙ্গে উঠান বৈঠক, সমাবেশ ও প্রশিক্ষণের আয়োজন করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। কৃষকরা যাতে পেঁয়াজের ভালো ফলন পান সেই লক্ষ্যে সার, সেচসহ বিভিন্ন আনুষঙ্গিক বিষয়ে সুস্পষ্ট ধারণা দেওয়া হচ্ছে এবং এ ব্যাপারে সার, কীটনাশক ও সহজ শর্তে ঋণসহ প্রান্তিক কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে কৃষকরা বলছেন, কৃষি বিভাগ থেকে পেঁয়াজ চাষ প্রশিক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় উৎপাদিত পেঁয়াজ যদি সরকার সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে কেনে তাহলে পেঁয়াজ চাষ আরও বাড়বে।

রাজশাহীর পবা উপজেলার মথুরা গ্রামের কৃষক নূরুল আমিন বলেন, প্রতিবছর পেঁয়াজের চাষ করি। গত বছর এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজের চাষ করেছিলাম। কিন্তু ভরা মৌসুমে আমরা তেমন নায্য দাম পাইনি। এবছর কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ নিয়ে আরও দুই বিঘা জমিতে পেঁয়াজের চাষ করবো। বর্তমানে পেঁয়াজের দাম ভালো আছে। বীজ হিসেবে পেঁয়াজ বিক্রি করলে ভালো দাম পাওয়া যায়।

রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শামছুল হক বলেন, আগামী মৌসুমে জেলায় পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ইতোমধ্যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে পেঁয়াজ লাগানোর জন্য উঠান বৈঠক ও বিভিন্ন সমাবেশের মাধ্যমে তাদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া কৃষকরা যাতে পেঁয়াজের ভালো ফলন পান সেজন্য সার, সেচ ও কীটনাশক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা দেওয়া হচ্ছে।

বর্তমান বাজারে পেঁয়াজের প্রচুর চাহিদা ও ভালো দাম থাকায় কৃষকরাও ধান, গম, ভুট্টা ও শীতকালীন সবজির পর পেঁয়াজ চাষেই বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন বলে ধারণা দেন রাজশাহী কৃষি বিভাগের ঊর্ধ্বতন এই কর্মকর্তা।

 

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি