1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন

সওজ প্রকৌশলী রফিকের দূর্নীতির অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত দাখিলের তাগিদ দিলেন সচিব আমিনুল্লাহ্ নূরী

রিপোর্টার
  • আপডেট : সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩৫ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গত আগষ্ট মাসে নানান দূর্নীতির অভিযোগে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশল রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মন্ত্রী পরিষদের তদন্ত শুরু করে। চলতি মাসের ৭ সেপ্টেম্বর  রফিক-শামিম-ফজলু সিন্ডিকেটের নানান ভূয়া টেন্ডার এর আর একটি পৃথক অভিযোগ সাত দিনের মধ্যে তদন্ত করার নির্দেশ দেন সড়ক ও জনপদ সচিব (স্মাঃ ৩৫.০০.০০০০.০২৮.২৭.০০৫.২২-২৮৯) যার নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে গেলে অতি দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তাগিদ দেন সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সচিব এ,বি,এম আমিন উল্লাহ নূরী। তিনি দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি কে এ ব্যাপারে নিশ্চিত করেন, তিনি আরও বলেন সঠিক তদন্ত করতে আমি নির্দেশনা দিয়েছি, এবং অভিযোগ গুলোর তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত দাখিলের তাগিদ দিয়েছি, নিশ্চয়ই দূর্নীতির বিরুদ্ধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স কে আমরা সাদুবাদ জানাই, তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সব করবো”
বিভিন্ন সময়ে ভূয়া টেন্ডার, ঘুপচে টেন্ডার, টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন নিয়ে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেয়া, অর্থনৈতিক কোডের আইন ভঙ্গ করে পুরানো বিলের চেক পাশ করিয়ে দেয়া, টেন্ডার না করিয়ে বেআইনিভাবে আবেদনের মাধ্যমে কাজের সময় বর্ধিতকরণের আদেশ দেয়া, আইন ও ক্ষমতাবহির্ভূতভাবে সিনিয়র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে নিজের পি.এস হিসেবে নিযুক্ত করাসহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এভাবে নয়ছয় করে এবং কমিশন বাণিজ্যের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়েছেন তিনি।গড়ে তুলেছেন বিপুল সম্পদের পাহাড়। তার নেতৃত্বেই চলে সওজের একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। কমিশন ছাড়া কোনো বিলেই সই করেন না সওজের কথিত দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম। কমিশনের একটি বড় অংশ আদায় করেন অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী ফজলুল হকের মাধ্যমে। সরকারি অর্থ অপচয় করে নিজেদের পকেটস্থ করাই তাদের মূল কাজ। দেশের সেবা করার পরিবর্তে নিজেদের আখের গোছাতেই মহাব্যস্ত তারা। রয়েছ ঘুপচে টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ,

বিগত ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে বর্তমান ২০২২-২৩ অর্থবছর পর্যন্ত সমস্ত টেন্ডারের মালামাল ও উক্ত মালামাল ব্যবহারের ক্ষেত্র তদন্ত করলেই সকল রহস্য বেড়িয়ে আসবে। কম্পিউটার অপারেটর থেকে শুরু অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী পর্যন্ত প্রত্যকেই এ সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত। নামে, বেনামে এদের কোটি কোটি টাকার সম্পদ, আলিশান ফ্ল্যাট, প্লট, ব্যবসা বাণিজ্য, বাড়ি-গাড়ি, ব্যাংক-ব্যালেন্স রয়েছে।রফিক সিন্ডিকেটর এসব অনিয়ম এর বেড়াজালে আবদ্ধ অনেকেই, এতে অতিষ্ঠ সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের অনেক ক্লিন ইমেজের কর্মকর্তা সহ খোদ প্রধান প্রকৌশল। রফিক ফজলু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে মন্ত্রী পরিষদের তদন্তের পাশাপাশি তদন্তে  নেমেছে দূর্নীতি দমন কমিশন। তাই অনেকেই আশা করছে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করা যাবে এসব দূর্নীতির কালো বিড়াল দের।

প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং বিস্তারিত তথ্য উপাত্ত ও অনুসন্দানে যা উঠে এসেছে।এ সম্পর্কে সড়কের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৗশলী রফিকুল ইসলাম জাতীয় অর্থনীতিকে বলেন,সবই মিথ্যা ও অসত্য ।তিনি তীব্র ভাবে ক্ষোপ প্রকাশ করেন

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি