1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
‘সব বের করে ফেলব’ বেঁচে থাকলে রাজনৈতিক ভাবে শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত অগ্রদূত হত শেখ রাসেল: -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর ও রানীশংকৈল উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে ৫৫ জন প্রার্থী  রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার করিমগঞ্জ রামনাথপুর ইউনিয়নের কসবা হিন্দু জেলে পল্লীতে আগুন আইন করে পতিতাবৃত্তি বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিলেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী ইভ্যালির পরিচালনা বোর্ডে সেই মাহবুব কবীর মিলন সাদুল্লাপুরে শেখ রাসেলের জন্ম বার্ষিক  উপলক্ষে তার প্রতিকৃতিতে বিনম্র  শ্রদ্ধা নিবেদন ঝিনাইদহে পলাতক আসামী গ্রেফতার ঝিনাইদহে আত্মহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতামুলক নাটক ‘অপমৃত্যু’ পরিবেশিত প্রেম প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলেন তরুণী মিয়ানমারে অশান্তির জন্য বিরোধীরা দায়ী : জান্তা প্রধান আমি সেই আগের বাংলাদেশ চাই… মেহের আফরোজ শাওন ওমানে বেরিয়ে পড়ল মাহমুদুল্লাহর দলের আসল চেহারা: ভারতীয় গণমাধ্যম পরিবারের অমতে বিয়ে, মেয়ে-জামাইসহ ৭ জনকে পুড়িয়ে হত্যা ইভ্যালি পরিচালনায় বিচারপতি মানিককে প্রধান করে কমিটি

সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার বিচার শুরু

রিপোর্টার
  • আপডেট : বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২৫৫ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : তিন দশক আগে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের সামনে সগিরা মোর্শেদ সালাম হত্যা মামলায় চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। আজ বুধবার (২ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েস এই আদেশ দেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) তাপস কুমার পাল। অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচারকাজ শুরু হলো। অভিযোগ গঠনের শুনানি উপলক্ষে চার আসামিকে আজ কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানিতে আসামিরা নিজেদের নিরপরাধ দাবি করেন।
চার আসামি হলেন সগিরার ভাশুর চিকিৎসক হাসান আলী চৌধুরী (৭০), তাঁর স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা শাহিন (৬৪), শাহিনের ভাই আনাছ মাহমুদ রেজওয়ান (৫৯) এবং মারুফ রেজা (৫৯)। গত ২১ জানুয়ারি এই হত্যা মামলার অভিযোগপত্র আমলে নেন আদালত।
১৬ জানুয়ারি এই মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। পারিবারিক তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয় বলে পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে আসে। সগিরা মোর্শেদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন চার আসামি। সগিরা মোর্শেদ (৩৪) বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষক ছিলেন। মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই সগিরা মোর্শেদ ভিকারুননিসা নূন স্কুল থেকে মেয়েকে আনতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তের কবলে পড়েন।
একপর্যায়ে দৌড় দিলে তাঁকে গুলি করা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সগিরা মারা যান। সেদিনই রমনা থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন তাঁর স্বামী সালাম চৌধুরী।
প্রত্যক্ষদর্শী রিকশাচালক জড়িত দুজনের কথা বললেও মিন্টু ওরফে মন্টু নামের একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। ১৯৯১ সালের ১৭ জানুয়ারি মন্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। নেওয়া হয় সাতজনের সাক্ষ্য। বাদীপক্ষের সাক্ষ্যে আসামি মন্টু ও মারুফ রেজার নাম আসে। পরে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯১ সালের ২৩ মে বিচারিক আদালত অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন। এ আদেশের বিরুদ্ধে মারুফ রেজা হাইকোর্টে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯১ সালের ২ জুলাই হাইকোর্ট রুল দিয়ে অধিকতর তদন্তের আদেশ স্থগিত করেন। পরের বছরের ২৭ আগস্ট অপর এক আদেশে হাইকোর্ট ওই রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ান। এতে থমকে যায় মামলার কার্যক্রম। বিষয়টি নজরে এলে ওই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের জন্য উদ্যোগ নেয় রাষ্ট্রপক্ষ। শুনানি নিয়ে গত বছরের ২৬ জুন হাইকোর্ট মামলার অধিকতর তদন্ত আদেশে এর আগে দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেন। একই সঙ্গে ৬০ দিনের মধ্যে ওই মামলার অধিকতর তদন্ত শেষ করতে পিবিআইকে নির্দেশ দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি