1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
টাকা নয়, কাজ দিয়েই মানুষের হৃদয় ও মন জয় করা যায়: আইজিপি আওয়ামী লীগ সবাই করতে পারবে তবে নেতৃত্বে আসবে ত্যাগীরা : তথ্যমন্ত্রী ২৫ কোটি ডলার ঋণ অনুমোদন এডিবির জাতিসংঘে কাশ্মীর বিরোধের সমাধান চাইলেন ইমরান খান বৈশ্বিক মঙ্গলের জন্য কাজ করবে কোয়াড জোট : মোদি করোনায় আরও ২৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮১৮ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ২২১ জন হাসপাতালে ভর্তি বিশ্বনেতারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উন্নয়ন ও নেতৃত্বের গল্প শুনতে চান : তথ্যমন্ত্রী দেশের উন্নয়ন করেছে আওয়ামী লীগ সরকার : পরিকল্পনামন্ত্রী বিশ্ব মানবতার কণ্ঠস্বর জননেত্রী শেখ হাসিনা : পলক ৫জি সেবা চালু হচ্ছে ডিসেম্বরে : টেলিযোগাযোগমন্ত্রী প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর নভেম্বরে এসএসসি, ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী আগামী জুনের মধ্যে পদ্মা সেতুর উদ্বোধন : ওবায়দুল কাদের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ইইউর সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সরকারি আবাসন-স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়া গেলে জরিমানা ৪ গুণ: মেয়র তাপস

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৮ জুন, ২০২১
  • ৬২ বার দেখা হয়েছে
সরকারি আবাসন-স্থাপনায় মশার লার্ভা পাওয়া গেলে জরিমানা ৪ গুণ: মেয়র তাপস
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস
সরকারি আবাসন-স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে জরিমানা চার গুণ করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
আজ মঙ্গলবার (৮ জুন) দুপুরে নগর ভবনের মেয়র হানিফ মিলনায়তনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার ‘জাতীয় ম্যালেরিয়া নির্মূল ও এডিস বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচি’ আয়োজিত “এডিস মশা বাহিত ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া রোগ প্রতিরোধ” বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এই ঘোষণা দেন ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস।
ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, “আমরা এখন নির্মাণাধীন স্থাপনা, বিশেষ করে সরকারি আবাসন ও নির্মাণাধীন স্থাপনাগুলোতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছি। আমি আমাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতকে নির্দেশনা দিয়েছি, সরকারি আবাসন ও নির্মাণাধীন স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে ৪ জরিমানা গুণ করার।”
ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস আরও বলেন, “আমাদেরকে সমস্যা সমাধান করতে হলে সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে। সরকারের বিভিন্ন নির্মাণাধীন স্থাপনা, আবাসিক কলোনি ইত্যাদিতে আমাদের মশক কর্মীরা যেতে পারে না, আমাদের কাউন্সিলরদেরকে সেখানে যেতে দেওয়া হয় না। ফলে সেখানে মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম দুর্বল হয়। সেখানে একবার যদি এডিস মশার বংশবিস্তার শুরু হয় তবে তা বৃহৎ আকার ধারণ করে। সেজন্য সরকারি আবাসন-স্থাপনায় আমরা এখন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছি।”
এ সময় ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস সরকারি আবাসন ও নির্মাণধীন স্থাপনাগুলোকে এডিস মশার অভয়ারণ্য হিসেবে উল্লেখ করেন।
বর্তমানে ছাদ বাগানের একটি সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে উল্লেখ করে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, “এখন বাসা বাড়িতে একটি মরা গাছ থাকলেও একটি ফুলের টব থাকে। ফুলের টবে মরা গাছ শোভা পেলো নাকি ফুল শোভা পেলো সেটা বিষয় না। ফুলের টব থাকতেই হবে! আমি মহিলা কাউন্সিলরদেরকে অনুরোধ করবো, আপনারা সেসব বাসাবাড়ির কর্তা-কর্ত্রী সাথে আলাপ করে সেসব ফুলের টবে যেন পানি না জমে, সে বিষয়ে ভূমিকা রাখবেন।”
সভায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পক্ষ থেকে এডিস মশার বংশবিস্তারের নানাবিধ অনুষঙ্গ এবং তা নিয়ন্ত্রণে করপোরেশনের সাথে সমন্বিত নানাবিধ কার্যক্রম নিয়ে একটি উপস্থাপনা করা হয়। ঢাদসিক’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. মো. শরীফ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাদসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার কমিউনিকেবল ডিসিজ কন্ট্রোল (সিডিসি) এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
দক্ষিণ সিটির কাউন্সিলরবৃন্দ, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাগণ এবং করপোরেশনের বিভাগের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি