1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৪:০২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার করিমগঞ্জ রামনাথপুর ইউনিয়নের কসবা হিন্দু জেলে পল্লীতে আগুন আইন করে পতিতাবৃত্তি বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিলেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী ইভ্যালির পরিচালনা বোর্ডে সেই মাহবুব কবীর মিলন সাদুল্লাপুরে শেখ রাসেলের জন্ম বার্ষিক  উপলক্ষে তার প্রতিকৃতিতে বিনম্র  শ্রদ্ধা নিবেদন ঝিনাইদহে পলাতক আসামী গ্রেফতার ঝিনাইদহে আত্মহত্যা প্রতিরোধে সচেতনতামুলক নাটক ‘অপমৃত্যু’ পরিবেশিত প্রেম প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কলেজছাত্রকে অপহরণ করে বিয়ে করলেন তরুণী মিয়ানমারে অশান্তির জন্য বিরোধীরা দায়ী : জান্তা প্রধান আমি সেই আগের বাংলাদেশ চাই… মেহের আফরোজ শাওন ওমানে বেরিয়ে পড়ল মাহমুদুল্লাহর দলের আসল চেহারা: ভারতীয় গণমাধ্যম পরিবারের অমতে বিয়ে, মেয়ে-জামাইসহ ৭ জনকে পুড়িয়ে হত্যা ইভ্যালি পরিচালনায় বিচারপতি মানিককে প্রধান করে কমিটি বিএনপি জামায়াত দেশব্যাপী হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলা চালাচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৪২ আইনি লড়াইয়ে ১২ বছর পর স্বপদে ফিরলেন অধ্যক্ষ

সরকারি দফতরে পৃথক কোনও ডাটা সেন্টার থাকবে না

রিপোর্টার
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২৩৪ বার দেখা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক : এখন থেকে সরকারি দফতরগুলো নিজেদের জন্য পৃথক কোনও ডাটা সেন্টার করতে পারবে না। সরকারি সব দফতরের তথ্য গাজীপুরের কালিয়াকৈরে হাইটেক পার্কের কেন্দ্রীয় ডাটা সেন্টারে রাখতে হবে। সরকারি দফতর ছাড়াও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো একটি নির্দিষ্ট পরিমাণের অর্থ জমা দিয়ে সেখানে তথ্য জমা রাখতে পারবে। সরকারি অর্থের অপচয় হ্রাস ও সম্মিলিত কেন্দ্রীয় একটি ডাটা সেন্টার করতেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
এ লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড’ শীর্ষক কোম্পানির মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন এবং আর্টিক্যাল অব অ্যাসোসিয়েশনের সংশোধিত খসড়া ভূতাপেক্ষ অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন।
তিনি জানান, ভার্চুয়াল এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।
বৈঠক শেষে সচিবালয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘সবার ডাটা আইসিটি (তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি) মন্ত্রণালয়ের কালিয়াকৈরের মেগা ডাটা সেন্টারে রাখতে হবে। এমনকি চাইলে বিদেশিদেরটাও রাখা যাবে। সেটার জন্য প্রথমে একটা অপারেটিং ফান্ড দিয়ে দিচ্ছে। এরপর থেকে সরকার টাকা দেবে না। তারাই ডাটা স্টোর করে যে টাকা-পয়সা পাবে সেটা দিয়ে মেনটেইন করবে এবং ভাবিষ্যতে এক্সটেনশন করবে।’
তিনি বলেন, ‘দেখা গেছে, প্রত্যেক মন্ত্রণালয় ও বিভাগ একটা করে সার্ভার বসায় এবং এর জন্য অর্থ বরাদ্দ চায়। এখন থেকে কেউ আর তা পারবে না। সবার ডাটা এই কালিয়াকৈরে ডাটা সেন্টারে কোম্পানির আন্ডারে স্টোর করতে হবে। কারণ, ওখানে সব সেফটি ও সিকিউরিটি থাকবে। এটার একটা ব্যাকআপ আছে যশোরে। কোনও কারণে যদি কালিয়াকৈরে ডিজাস্টার হয়, সব ডাটা যশোরের ব্যাকআপ সেন্টার থেকে উদ্ধার করা যাবে।’
খন্দকার আনোয়ারুল বলেন, ‘এখানে যারা তথ্য সংরক্ষণ করবেন, ঐ ডাটা সেন্টারের মালিকও সেখানে ঢুকতে পারবে না, বুঝতেও পারবেন না, কিছুই করতে পারবেন না। যিনি স্টোর করবেন কেবল তারই অপারেট করার সুযোগ থাকবে, এন্ট্রি থাকবে। তিনি তার পাসওয়ার্ড দিয়ে তার নিজেরটুকু অপারেট করবেন।’

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি