1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
রবিবার, ০২ অক্টোবর ২০২২, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
উন্নত বাংলাদেশ গড়তে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি অপরিহার্য : রাষ্ট্রপতি একদিনে করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪৮০ ‘বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে’ বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে নতুন আইজিপির শ্রদ্ধা এক দিনে রেকর্ড ৬৩৫ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি দুর্গোৎসব অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি : ডেপুটি স্পিকার ৪ বছরেও সড়ক আইন বাস্তবায়নে বিধিমালা হয়নি : ইলিয়াস কাঞ্চন তোয়াব খান ছিলেন বাংলাদেশের সাংবাদিকতা জগতের পথিকৃৎ : রাষ্ট্রপতি ইরানে পুলিশ স্টেশনে হামলায় বিপ্লবী গার্ডসের কর্নেলসহ নিহত ১৯ এ বছর এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি : শিক্ষামন্ত্রী

স্রোতের ফলে দেরি হচ্ছে পদ্মা সেতুতে ৩২তম স্প্যান বসানোর কাজ

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০
  • ৪৩৯ বার দেখা হয়েছে

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি :
নদীতে স্রোত বৃদ্ধি ও নোঙর জনিত সমস্যার কারণে পদ্মাসেতুর ৩২তম স্প্যান ‘ওয়ান ডি’ বসতে দেরি হচ্ছে। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্প্যানবহনকারী ক্রেনটি মাওয়া কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে রওনা দেওয়ার কথা ছিল।

তবে এ সমস্যার কারণে সকাল ১১টা ২০ মিনিট পর্যন্ত একই স্থানে অবস্থান করতে দেখা গেছে।
তবে আজকে দিনের মধ্যেই স্প্যানটিকে বসিয়ে দেওয়ার জন্য আশাবাদী প্রকৌশলীরা। মাওয়া প্রান্তের ৪ ও ৫ নম্বর পিলারের উপর স্প্যানটি বসানো হলে দৃশ্যমান হবে সেতুর ৪ হাজার ৮০০ মিটার। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রকৌশলী জানান, স্প্যান বসতে বিকেল গড়াতে পারে।

পদ্মাসেতু সূত্র জানায়, সেতুতে মোট ৪১টি স্প্যান বসানো হবে। এটি বসানো হলে বাকি থাকবে আরও ৯টি স্প্যান বসানো। আর এতে দৃশ্যমান বাকি থাকবে ১ হাজার ৩৫০ মিটার। আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে বাকি স্প্যানগুলো বসিয়ে দেওয়া হবে। তাদের লক্ষ্য আগামী বছর সেতুর নির্মাণকাজ শেষ করা। এখন পদ্মায় বন্যার পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্রোতের তীব্রতাও স্বাভাবিক গতিতে ফিরেছে। ফলে পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজেও গতি ফিরেছে। শনিবার তাই মাওয়া প্রান্তের ৪ ও ৫ নম্বর পিলারের ওপর পদ্মাসেতুর ৩২তম স্প্যান বসানোর দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি বসানোর পর মূল সেতুর অবকাঠামোর দৈর্ঘ্য দাঁড়াবে ৪ হাজার ৮০০ মিটার বা প্রায় ৫ কিলোমিটার।

গত আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে ৫টি স্প্যান পিলারের ওপর বসানোর লক্ষ্য ছিল। তবে মাওয়া প্রান্তের মূল পদ্মায় প্রচণ্ড স্রোত থাকায় একটি স্প্যানও বসানো সম্ভব হয়নি। ১০ জুন জাজিরা প্রান্তে ৩১তম স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে বর্তমানে দৃশ্যমান ৪ হাজার ৬৫০ মিটার পদ্মাসেতু। এরপর নদীতে পানি বাড়তে শুরু করলে ২৪ জুন ৩২ নম্বর স্প্যান বসানোর পরিকল্পনা বাতিল করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, প্রতিবছর ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পদ্মার পানি স্বাভাবিক হয়ে আসে। ৪ দশমিক ৮ মিটারের বেশি পানি হলে কাজ করা সম্ভব হয় না, সেখানে এ বছর এখনো নদীতে পানির উচ্চতা ৫ দশমিক ৫ মিটারের বেশি। একই সঙ্গে স্রোতের গতি এখন প্রতি সেকেন্ডে ২ দশমিক ৫ মিটার। স্বাভাবিক স্রোতের গতি থাকে ১ দশমিক ৫ মিটার।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি