1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০২:৩৯ অপরাহ্ন

৪ বছরেও সড়ক আইন বাস্তবায়নে বিধিমালা হয়নি : ইলিয়াস কাঞ্চন

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ১ অক্টোবর, ২০২২
  • ৪৮ বার দেখা হয়েছে

একটি গোষ্ঠী সড়ক পরিবহন আইনকে দুর্বল করতে চাইছে বলে অভিযোগ করে নিরাপদ সড়ক চাই-এর চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে সতর্কতার পাশাপাশি আইন হওয়া জরুরি। অথচ বিগত চার বছরেও সড়ক পরিবহন আইনের বিধিমালা তৈরি হয়নি। একটি গোষ্ঠী শুরু থেকেই আইনটিকে দুর্বল করতে চাইছে। আইন সংশোধনের দাবিতে তারা আন্দোলনও করেছে। আইনটি কার্যকর করতে হলে দ্রুত বিধিমালা করা প্রয়োজন।

আজ শনিবার (১ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮’ এর অধীনে বিধিমালা দ্রুত জারি করার দাবিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। সম্মেলনটি আয়োজন করে রোড সেফটি কোয়ালিশন।

সড়ক দুর্ঘটনার শিকারদের পরিসংখ্যান প্রসঙ্গে ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, বেসরকারি সংগঠনগুলো গণমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে দুর্ঘটনার প্রতিবেদন তৈরি করে। এসবই সেকেন্ডারি তথ্য, পূর্ণাঙ্গ তথ্য না। সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবেদন তৈরির দায়িত্ব বেসরকারি সংগঠনের না। এ প্রতিবেদন সরকারের করা উচিত। দীর্ঘদিন ধরে বলা হলেও সরকার এ প্রতিবেদন তৈরি করছে না।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ব্র্যাকের রোড সেইফটি প্রোগ্রামের ব্যবস্থাপক খালিদ মাহমুদ। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে সড়ক পরিবহন আইন পাস হয়। বহুল আলোচিত এ আইন পাস হওয়ার চার বছর পূর্ণ হলেও তা বাস্তবায়নে বিধিমালা তৈরি হয়নি। ফলে সড়ককে নিরাপদ করার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ ও আইনের বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে সড়কে প্রতিষ্ঠা হচ্ছে না শৃঙ্খলা, বাড়ছে মৃত্যু। সড়ক পরিবহন আইনের কিছু সবল দিক থাকলেও এর সীমাবদ্ধতা প্রচুর।

আইনটিতে মোটরসাইকেল আরোহীদের জন্য হেলমেট পরার বাধ্যবাধকতা থাকলেও সেটির মানদণ্ড ও ব্যবহারবিধি আইনে অনুপস্থিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, আইনে গতিসীমা লঙ্ঘনে শাস্তির বিধান থাকলেও গতিসীমা নির্ধারণ, এর বাস্তবায়ন ও পর্যবেক্ষণের নির্দেশনা ও গাইডলাইনের বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। এ ছাড়া যাত্রীদের সিটবেল্ট ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা ও শিশুদের জন্য নিরাপদ বা সুরক্ষিত আসন ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা আইনটিতে সংযোজন করা হয়নি।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে ব্র্যাকের রোড সেফটি প্রোগ্রামের পরিচালক আহমেদ নাজমুল হুসেইন, সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চের পরিচালক সেলিম মাহমুদ চৌধুরী, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য ও ওয়াশ সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর রেজওয়ান নবীন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি