1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২, ০১:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন সিরিয়ায় মুহুর্মুহু বিমান হামলা চালাল ইসরায়েল, ৩ সেনা নিহত জয় দিয়ে মিশন শুরু চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা তৃতীয় দিনে আয় বেড়েছে আমির খানের ‘লাল সিং চাড্ডা’র গাজীপুরে রাত ১১টার পর চলবে না কোনো আঞ্চলিক পরিবহণ ‘পর্যাপ্ত সার মজুত আছে, বেশি দামে বিক্রি করলে কঠোর ব্যবস্থা‍’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে ‘কনভিন্সড’ জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার রাজনৈতিক অনুষ্ঠান জানলে অনুমতি দেওয়া হতো না: বুয়েট প্রশাসন বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রেসওয়েতে বাসের ধাক্কা, নিচে চাপা পরে নিহত ২

৬৪ বয়সে স্ত্রী ২৭ জন ও ছেলে-মেয়ের সংখ্যা ১৫০ জন !!

রিপোর্টার
  • আপডেট : শনিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২১
  • ১১৭ বার দেখা হয়েছে

কানাডার অন্যতম পরিচিত ব্যক্তি উইনস্টোন ব্ল্যাকমোর। ৬৪ বছরের এই ব্যক্তির স্ত্রীর সংখ্যা ২৭। তার ছেলে-মেয়ে রয়েছে ১৫০টি। ওই পরিবারের সদস্য ১৯ বছরের মার্লিন ব্ল্যাকমোর সম্প্রতি নিজের এই বিশাল পরিবারে কথা শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।

কারও জন্মদিনে কীভাবে উৎসব হয় তাদের বাড়িতে, বা এতো সংখ্যক ভাই-বোনের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার অভিজ্ঞতা নজর কেড়েছে নেটাগরিকদের। খবর আনন্দবাজারের

কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ার বাউন্টিফুলে তার বিশাল পরিবারের সঙ্গে থাকেন মার্লিন। তিনি ছাড়াও তার দুই ভাই মুরারি এবং ওয়ারেনও নিজেদের পরিবারের কথা শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। এতোজনের সঙ্গে থাকা যেমন মজার তেমনই অস্বস্তিরও। ওই তিন ভাইয়ের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে উঠে এসেছে সেই বিষয়টিও।

মার্লিন জানিয়েছেন, ১৫০ জন ভাই-বোনের মধ্যে সবচেয়ে বড়জনের বয়স ৪৪ বছর। সবচেয়ে ছোটজনের বয়স ১ বছর। প্রত্যেকে তাদের গর্ভধারিণী মাকে ‘মাম’ বলে ডাকেন। বাকি সৎ মায়েদের ডাকেন ‘মাদার’ বলে। দুই ভিন্ন মায়ের সন্তান। কিন্তু তাদের জন্ম একই দিনে- তাদের বাড়িতে এ রকম উদাহরণও রয়েছে।

মার্লিন জানিয়েছেন, ভাই-বোনেরা একই স্কুলে পড়ে। সেই স্কুলের মালিক তার বাবা উইনস্টোন। অস্বাভাবিক বড় পরিবারে নিজের ভাই-বোনদের সামলাতে সামলাতে বাইরের কারও সঙ্গে তাদের সেভাবে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে না বলেই জানিয়েছেন মার্লিন।

বাবা, ১৫০ ভাই-বোন এবং ২৭ জন মাকে নিয়ে বিশাল পরিবারের সদস্যরা কেউ আলাদা থাকেন না। সকলেই একই বাড়িতে থাকেন। তাদের সেই বাড়ির নাম মোটেল হাউস। এতোজনের জন্য বাজার থেকে জিনিস কেনাও কতটা সমস্যার তাও তারা হাড়ে হাড়ে টের পান। সেজন্যই তাদের বাড়ির মধ্যেই হয় শাকসবজির চাষ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি