1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
কালুরঘাটে মুক্তিযুদ্ধের বিশেষ স্মৃতিস্তম্ভ করা হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর আয় বাড়াতে হবে: মন্ত্রী ডিসিদের কমিটি গঠনের প্রস্তাবে সায় দেননি পরিকল্পনামন্ত্রী সালমানের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জনে যা বললেন সামান্থা আরও ১০ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৮৪০৭ সরকার বিদেশিদের ওপর নির্ভরশীল নয় : তথ্যমন্ত্রী মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ১ এপ্রিল ৩ শর্তে সুপারিশপত্র দিতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের কথা ভাবছি না : শিক্ষামন্ত্রী বর্তমানে আক্রান্তদের ২০ শতাংশেরই ওমিক্রন শুরুর আগেই বিপিএলে করোনার হানা রজনীকান্ত মেয়ের সঙ্গে সংসার ভাঙল ধনুশের জনসেবা নিশ্চিতে ডিসিদের ২৪ নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর সেবা নিতে এসে মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয় : প্রধানমন্ত্রী শাবিপ্রবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আশ্বাস দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৬ দফার সংবাদ প্রকাশের দায়ে ইত্তেফাকের বিরুদ্ধে জননিরাপত্তা আইনী খড়্গ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ৮ জুন, ২০২১
  • ৯১ বার দেখা হয়েছে
৬ দফার সংবাদ প্রকাশের দায়ে ইত্তেফাকের বিরুদ্ধে জননিরাপত্তা আইনী খড়্গ
বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমঃ

তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তানের আপামর জনসাধারণ বিশেষত বাঙালি জনগোষ্ঠীকে শোষণ-বঞ্চনা-নিষ্পেষণের হাত থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে ৫ ফেব্রুয়ারি বিরোধী দলের সম্মেলনে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠী ও তাদের সহযোগীরা ঐ দাবিসমূহের প্রবল বিরোধিতা করে এবং বঙ্গবন্ধুকে বিচ্ছিন্নতাবাদী হিসেবে চিহ্নিত করার অপচেষ্টা করলেও খুব দ্রুতই ‘৬ দফা’ পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়। ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে পশ্চিমা শাসকগোষ্ঠী। বেছে নেয় দমন-নির্যাতনের পথ। গ্রেফতার করে বঙ্গবন্ধুসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, ছাত্র-যুবক-শ্রমিকসহ আন্দোলনকারী ও নিরীহ জনগণকে। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ৬ দফা আদায়ের লক্ষ্যে পালিত হয় দেশব্যাপী হরতাল। পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে শহিদ হন নিরীহ ১১ জন আন্দোলনকারী। বঙ্গবন্ধু তখন কারাগারে।

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী সংবাদপত্রসমূহে ৬ দফা ও আন্দোলন সম্পর্কে এবং এর বিরুদ্ধে সরকারি পদক্ষেপ সম্পর্কে কোনো সংবাদ যাতে প্রকাশিত না হয়, সে কারণে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে খড়গ চালাতে থাকে। এ সময় গণমাধ্যমগুলোর মধ্যে দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা ৬ দফা প্রচার ও ছাত্র-জনতার আন্দোলনের বিভিন্ন সংবাদ গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করতে থাকে। ফলে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের আদেশক্রমে ১৬ জুন ১৯৬৬ ইং তারিখে পাকিস্তান প্রতিরক্ষা বিধিমালার ৫২ বিধির (২) উপবিধিতে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে ইত্তেফাক পত্রিকা যে প্রেস থেকে ছাপানো হতো, অর্থাত্ রামকৃষ্ণ মিশন রোডে অবস্থিত ‘নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস’ বাজেয়াপ্ত করা হয়।

ঐ আদেশে উল্লেখ করা হয়-

১. গভর্নর এই মর্মে সন্তুষ্ট হয়েছেন যে, ঢাকার দৈনিক পত্রিকা ইত্তেফাক বিভিন্ন শ্রেণির নাগরিকের মধ্যে শত্রুতা ও ঘৃণার অনুভূতি সৃষ্টি করবে বা করতে পারে এবং জনগণকে জননিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ক্ষতিকর কার্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে প্ররোচিত করতে পারে এমন প্ররোচনামূলক মতামত, মন্তব্য, বিবৃতি ও প্রতিবেদন প্রকাশ করছে, যার বিরুদ্ধে আশু ব্যবস্থা গ্রহণ আবশ্যক;

২. গভর্নর জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার উদ্দেশ্যে ইত্তেফাকের প্রকাশক ও মুদ্রাকরকে নিম্নোক্ত তপশিলে (ক) উল্লিখিত বিষয়ে পাকিস্তান সরকার কর্তৃক সংবাদপত্রে প্রেরিত বিষয় ছাড়া অন্য কোনো বিষয় তৈরি বা প্রকাশ ৭ এপ্রিল ১৯৬৬ তারিখ থেকে তিন মাসের জন্য নিষিদ্ধ করে ৭ এপ্রিল ১৯৬৬ তারিখে আদেশ জারি করেছেন;

৩. গভর্নর এই মর্মে সন্তুষ্ট হয়েছেন যে, ঢাকার দৈনিক পত্রিকা ইত্তেফাক হরতাল ও পিকেটিং সম্পর্কিত খবর, মতামত, মন্তব্য, বিবৃতি ও প্রতিবেদন প্রকাশ করছে, যা সরকারি কার্মচারীদের দায়িত্ব পালনে হস্তক্ষেপ করতে পারে, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে শিল্প-শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করতে প্ররোচিত করতে পারে, গণপরিবহন ব্যবস্থাকে বাধাগ্রস্ত, বিলম্বিত কিংবা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, জনগণের মধ্যে ভয়-আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে এবং জননিরাপত্তা ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে;

৪. গভর্নর ২ জুন ১৯৬৬ আরেকটি আদেশ জারি করে ইত্তেফাকের সম্পাদক, মুদ্রাকর ও প্রকাশক জনাব তফাজ্জল হোসেনকে নিম্নোক্ত তপশিলে (খ) উল্লিখিত বিষয়ে পাকিস্তান সরকার কর্তৃক সংবাদপত্রে পাঠানো বিষয় ছাড়া অন্য কোনো বিষয় তৈরি বা ছাপানোর ওপর ২ জুন ১৯৬৬ থেকে দুই সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন;

৫. গভর্নর এই মর্মে সন্তুষ্ট হয়েছেন যে, ১৯৬৬ সালের ৭ জুনের হরতাল ও প্রতিবাদ দিবস এবং সে ব্যাপারে গৃহীত সরকারি পদক্ষেপ-সংক্রান্ত বা এর সঙ্গে কোনোভাবে সম্পর্কিত খবর, মতামত, মন্তব্য, বিবৃতি, প্রতিবেদন ও আলোকচিত্র প্রকাশ জননিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য হুমকিস্বরূপর হতে পারে;

৬. গভর্নর ১৯৬৬ সালের ৭ জুন তারিখ আদেশ জারি করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য ইত্তেফাকের সম্পাদক; মুদ্রাকর ও প্রকাশক জনাব তফাজ্জল হোসনেকে নিম্নোক্ত তপশিলে (গ) উল্লিখিত বিষয়ে পাকিস্তান সরকার কর্তৃক সংবাদপত্রে পাঠানো বিষয় ছাড়া অন্য কোনো বিষয় তৈরি বা ছাপানোর ওপর ৭ জুন ১৯৬৬ থেকে দুই সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন;

৭. তপশিল (ঘ)তে উল্লিখিত বিষয়সমূহ প্রকাশনার মাধ্যমে ইত্তেফাকের সম্পাদক, মুদ্রাকর ও প্রকাশক উপরোক্ত নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ লঙ্ঘন করেছেন;

৮. উপরোক্ত কারণে গভর্নর ১, রামকৃষ্ণ মিশন রোডে অবস্থিত নিউ নেশন প্রেস যা তপশিলে উল্লিখিত বিষয়সমূহ প্রকাশনার কাজে ব্যবহূত হয়েছে তা অনতিবিলম্বে বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করতে সন্তুষ্ট হয়েছেন।

উপরোক্ত আদেশে নিম্নের বিষয়সমূহ তপশিলভুক্ত ছিল :

তপশিল-‘ক’

(ক) পাকিস্তান রাষ্ট্রের সংহতি বিনষ্ট করে কিংবা এর সার্বভৌমত্বকে লঙ্ঘন করতে পারে বা করার আশঙ্কা রয়েছে এমন যে কোনো ধরনের মতামত, মন্তব্য, বিবৃতি ও প্রতিবেদন;

(খ) রাষ্ট্রের এক অংশ কিংবা একশ্রেণির লাভের জন্য অন্য অংশ বা অপরাপর শ্রেণি কর্তৃক শোষণের অভিযোগ তোলে এমন মতামত, মন্তব্য, বিবৃতি ও প্রতিবেদন;

(গ) বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে শত্রুতা বা বিদ্বেষের অনুভূতি সৃষ্টি করতে পারে বা করার অভিপ্রায় রয়েছে এমন যে কোনো মতামত, মন্তব্য, বিবৃতি ও প্রতিবেদন;

(ঘ) ছাত্রদের হরতাল, আন্দোলন, ক্ষোভ এবং সেই ব্যাপারে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ-সংক্রান্ত কোনো মতামত, মন্তব্য, বিবৃতি ও প্রতিবেদন।

তপশিল-‘খ’

৭.৬.৬৬ তারিখে আওয়ামী লীগ প্রস্তাবিত ‘প্রতিবাদ দিবস’ পালন এবং সেই সংক্রান্ত বা সম্পর্কিত খবর, মতামত, মন্তব্য ও প্রতিবেদন।

তপশিল-‘গ’

১৯৬৬ সালের ৭ জুলাই তারিখে পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগ প্রস্তাবিত ‘প্রতিবাদ দিবস’ পালন এবং সে ব্যাপারে সরকার গৃহীত পদক্ষেপ-সংক্রান্ত বা সম্পর্কিত খবর, মতামত, মন্তব্য ও প্রতিবেদন।

তপশিল-‘ঘ’

১৯৬৬ সালের ৯ জুন, ঢাকা সংখ্যার ১ ও ২ পৃষ্ঠায় ‘গুলিবর্ষণের মুলতবি প্রস্তাব অগ্রাহ্য’ শিরোনামের খবর;

৯ জুন, ঢাকা সংখ্যার ৪ পৃষ্ঠায় ‘রাজনৈতিক মঞ্চ’ ক্যাপশনের প্রকাশনা;

১২ জুন ১৯৬৬ তারিখের ১ ও ১০ পৃষ্ঠায় ‘৬ দফা বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ পর্যায়ক্রমিক কর্মসূচি’ শিরোনামের খবর;

‘৬ দফার প্রশ্নে কোনো আপস নাই’ শিরোনামে ১৯৬৬ সালের ১৯৬৬ তারিখের সংখ্যার খবর;

‘সংগ্রাম চলবেই—পল্টনের বিশাল জনসমুদ্রের নেতৃবৃন্ধের ঘোষণা’ শীর্ষক ১৯৬৬ সালের ২৫ এপ্রিল সংখ্যার ১ নং পৃষ্ঠার খবর;

এবং ‘দীর্ঘসূত্রতার ফল’ শীর্ষক ২৭.৪.৬৬ তারিখের প্রকাশনা।

উপরোক্ত আদেশ ও তপশিলসমূহ থেকে প্রতিয়মান যে, ৭ এপ্রিল ’৬৬ সরকার অপর এক আদেশ দ্বারা ইত্তেফাক পত্রিকার সম্পাদক, মুদ্রাকার ও প্রকাশক তফাজ্জল হোসেনকে, যিনি মানিক মিয়া হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত, হরতাল, আন্দোলন, জনগণের ক্ষোভ এবং সে বিষয়ে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ-সংক্রান্ত কোনো মতামত, মন্তব্য বিবৃতি ও প্রতিবেদন প্রকাশ না করার জন্য তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। ২রা জুন ’৬৬ অপর এক আদেশে ০৭.০৬.১৯৬৬ তারিখে আওয়ামী লীগ প্রস্তাবিত ‘প্রতিবাদ দিবস’ পালন এবং সেই সংক্রান্ত মতামত, মন্তব্য ও প্রতিবেদন ছাপানো ও প্রকাশের ওপর দুই সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। ৭ জুন ’৬৬ আরো একটি আদেশ ইত্তেফাকের সম্পাদক, মুদ্রাকার ও প্রকাশকের ওপর জারি করে ১৯৬৬ সালের ৭ জুলাইয়ের পূর্বে আওয়ামী লীগ প্রস্তাবিত প্রতিবাদ দিবস পালন এবং সে সম্পর্কে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ-সংক্রান্ত খবর, মতামত ও প্রতিবেদন প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

নিষেধাজ্ঞা ও নিপীড়নমূলক ঐ আদেশসমূহ হতে এটা সুস্পষ্ট যে, পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী মূলত ৬ দফাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ছাত্র-জনতার গণ-আন্দোলকে দমন ও বাধাগ্রস্ত করার লক্ষ্যেই গণমাধ্যম, অর্থাত্ ইত্তেফাক পত্রিকার বিরুদ্ধে উপরোক্ত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করে।

ইত্তেফাক পত্রিকার সম্পাদক, মুদ্রাকার ও প্রকাশক তফাজ্জল হোসেন উপরোক্ত আদেশসমূহ চ্যালেঞ্জ করে তত্কালীন ঢাকা হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন দায়ের করেন প্রধানত এই যুক্তিসমূহে যে- ১. তর্কিত বাজেয়াপ্ত আদেশ জারি পাকিস্তান প্রতিরক্ষা বিধিমালার ১৯৬৫-এর (বিধি-৫২) সঙ্গে সাংঘর্ষিক বিধায় তা কার্যকরহীন ও অকার্যকর; ২. বাজেয়াপ্তকরণের আদেশ জারির পূর্বে কর্তৃপক্ষ দরখাস্তকারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ না দিয়ে ‘স্বাভাবিক ন্যায়বিচারের (ন্যাচারাল জাস্টিস)’ প্রতিষ্ঠিত নীতি লঙ্ঘিত হয়েছে; ৩. সংশ্লিষ্ট আইনে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোনো বিধিবিধান ছিল না।

চূড়ান্ত পর্যায়ে পাঁচ জন মাননীয় বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে রিট পিটিশনটি শুনানি হয়। উভয় পক্ষের বিজ্ঞ আইনজীবীদের দীর্ঘ আইনি ব্যাখ্যা-তর্কের পরে মাননীয় বিচারপতিগণ সর্বসম্মতভাবে রিট আবেদনকারীর পক্ষে উত্থাপিত আইনি যুক্তিসমূহে সারবত্তা ও ভিত্তি আছে মর্মে সন্তুষ্ট হয়ে রুলটি চূড়ান্ত করেন এবং তর্কিত বাজেয়াপ্তকরণের আদেশ বে-আইনি, অকার্যকর ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষকে তর্কিত আদেশটি বাতিল ও প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। (১৮ ডিএলআর, পৃষ্ঠা-৭৩৬)

ঢাকা হাইকোর্টের উপরোক্ত রায় ৬ দফা আন্দোলনকে যেমন করেছিল বেগবান, তেমনি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামকে এগিয়ে নিতে গণমাধ্যমকে করেছিল আরো সাহসী।

লেখক :বিচারপতি, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগ এবং সাবেক চেয়ারম্যান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১, বাংলাদেশ ।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি