1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : জাতীয় অর্থনীতি : জাতীয় অর্থনীতি
সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ০১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে ৭ জনের মৃত্যু ঘূর্ণিঝড় রেমাল : সব মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল ঘূর্ণিঝড় রেমাল: ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত ঘোষণা এমপি আনার হত্যা: কলকাতায় ডিবি প্রতিনিধিদল মধ্যরাতে মহাবিপৎ সংকেত জারি হতে পারে: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী বেনজীর, আজিজ, আনোয়ারুলের অপরাধের দায় নেবে না আওয়ামী লীগ মানুষের কল্যাণে কাজ করা, এটাই আমাদের লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী রিমান্ডে রহস্যময় সব নাম, রাজনীতিবিদ থেকে প্রভাবশালী, বাদ যাচ্ছেন না যেন কেউই বিকেলের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে,আঘাত হানতে পারে দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে বঙ্গবাজার মার্কেটসহ ৪ প্রকল্প উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জি কে শামীমের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলার রায় ২৫ সেপ্টেম্বর

রিপোর্টার
  • আপডেট : রবিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২২
  • ৩২৩ বার দেখা হয়েছে

কথিত যুবলীগ নেতা ও বিতর্কিত ঠিকাদার এসএম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জিকে শামীম ও তার ৭ দেহরক্ষীর অস্ত্র মামলায় রায় হবে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর।

রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রোববার (২৮ আগস্ট) ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শেখ ছামিদুল ইসলাম রায়ের এ দিন ধার্য করেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন, জিকে শামীমের সাত দেহরক্ষী মো. জাহিদুল ইসালাম, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. কামাল হোসেন, মো. সামসাদ হোসেন, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. মুরাদ হোসেন।

জিকে শামীমের অস্ত্র মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি একই আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠন করেন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামি আমিনুল ইসলাম জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়েছে মর্মে কাগজপত্র দেখালেও তা যাচাইয়ে তার সঠিকতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই তার অস্ত্রটি অবৈধ। তিনি ওই অবৈধ অস্ত্রের নকল কাগজপত্র নিয়ে ২০১৭ সালে প্রথমে এস.এম বিল্ডার্স কোম্পানিতে যোগ দেন। পরে ২০১৯ সালের মাঝামাঝি আসামি জিকে শামীমের দেহরক্ষী হিসেবে যোগ দিয়ে কাজ করে আসছিলেন।

তিনি মূলত অবৈধ অস্ত্রটি ৭০ হাজার টাকায় কিনে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করেন। তাই তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের ১৯(ক)/২১/২৩ ধারার অভিযোগসহ প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দণ্ডবিধির ৪২০/৪৬৮ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। দণ্ডবিধির ৪২০/৪৬৮ ধারার তার বিরুদ্ধে পৃথক একটি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য আসামিরা নিরাপত্তার অজুহাতে অস্ত্রের লাইসেন্সপ্রাপ্ত হলেও তারা শর্ত ভঙ্গ করে অস্ত্র প্রকাশ্যে বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টির মাধ্যমে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ও জুয়ার ব্যবসা করে স্বনামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন। তাই তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের ১৯(ঙ)/২১/২৩ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান শুরু হলে ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিকেতনে শামীমের বাড়ি ও অফিসে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে আটটি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গুলি, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর এবং নগদ প্রায় এক কোটি ৮১ লাখ টাকা, বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা এবং মদ জব্দ করে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মানিলন্ডারিং আইনে তিনটি মামলা করা হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

এই বিভাগের আরো সংবাদ
© ২০২০ দৈনিক জাতীয় অর্থনীতি